5 Answers
পাপে কাজে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করে তওবা করলেই আল্লাহ আপনাকে অবশ্যই ক্ষমা করবেন। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, অর্থাৎ “তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁর কাছে তওবা প্রত্যাবর্তন কর।” (সূরা হূদ আয়াতঃ ৩)
তওবা করলে আল্লাহ তাআলা সব গুনাহই ক্ষমা করে দেন৷ আর তওবার শর্ত হলো, কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হওয়া, আগামীতে উক্ত গুনাহ না করার অঙ্গিকার করা, কৃত গুনাহের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা৷ (যদি বান্দার হক হয় তাহলে তার হক আদায় করা বা ক্ষমা নিয়ে নেয়া)৷ এ শর্তগুলোর উপস্থিতিতে তওবা করলে আল্লাহ তাআলা কৃত গুনাহকে পরিপূর্ণরূপে ক্ষমা করে দেন৷
শিরিকের গুনাহ বাদে আল্লাহ চাইলেই বান্দার যে কোন গুনাহ ক্ষমা করতে দিতে পারে। তবে আপনি আপনার গুনাহটি ক্ষমার জন্য আল্লাহ কাছে নামাজ পড়ে প্রার্থন করুন। এবং মনে মনে এই প্রতিজ্ঞা করুন যে, ভবিষ্যতে উপরোক্ত গুনাহের কাজ করবেন না।
মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কালামে পাকে ইরশাদ করেন, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। - সূরা ঝুমার : ৫৩। আপনি খাঁটি দিলে তাওবা করলে অবশ্যয়ই আল্লাহ পাপ মোচন করবেনই। নিরাশ হবেন না। বরং ক্ষমার আশারেখে নেক আমলে মনোযোগী হন। আপনার প্রতি শুভ কামনা রইল।
"নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে । এছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন....।" সূরাতুন নিসা-১১৬ । এছাড়াও একই সূরার ৪৮ নাম্বার আয়াতেও এই কথা আছে । যেহেতু আপনার পাপ টি শিরক নয়, তাই ক্ষমা অবশ্যই পেতে পারেন । এটা ক্ষমার অযোগ্য পাপ নয় । তবে কেঁদে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান । ২ রাকাত নফল সালাত আদায় করার পর কান্নাকাটি করুন । মন থেকে ক্ষমা চান । ভবিষ্যতে আর এই পাপ না করার প্রতিশ্রুতি দিন । ইনশাআল্লাহ ক্ষমা পাবেন ।