কিন্তু,যদি হিন্দু থেকে কি কেউ মুসলমান হলে তার শিরকের গুনাহ কী মাফ হবে না?উত্তরের পক্ষে যুক্তি দেন।
2612 views

1 Answers

মহান আল্লাহ বলেন, যারা ঈমান এনেছে আর যুলম অর্থাৎ শিরক দ্বারা তাদের ঈমানকে কলুষিত করেনি, নিরাপত্তা লাভ তারাই করবে আর তারাই হল সঠিক পথপ্রাপ্ত। (আল আন-আমঃ ৮২) অর্থাৎ শাস্তির কবল থেকে নিরাপদ ও নিশ্চিত তারাই হতে পারে, যারা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে, তারপর সে ঈমানের সাথে কোনরূপ যুলুমকে মিশ্রিত করেনি। হাদীসে আছে, এ আয়াত নাযিল হলে সাহাবায়ে কেরাম চমকে উঠেন এবং আরয করেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ আমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে পাপের মাধ্যমে নিজের উপর যুলুম করেনি? এ আয়াতে শাস্তির কবল থেকে নিরাপদ হওয়ার জন্য বিশ্বাসের সাথে যুলুমকে মিশ্রিত না করার শর্ত বর্ণিত হয়েছে। এমতাবস্থায় আমাদের মুক্তির উপায় কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন, তোমরা আয়াতের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সক্ষম হওনি। আয়াতে যুলুম বলতে শির্ককে বোঝানো হয়েছে। দেখুন, অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, অর্থাৎ “নিশ্চিত শিরক বিরাট যুলুম”। (বুখারীঃ ৪৬২৯, ৬৯১৮) কাজেই আয়াতের অর্থ এই যে, যে ব্যক্তি ঈমান আনে, অতঃপর আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলী এবং তার ইবাদাতে কাউকে অংশীদার স্থির না করে, সে শাস্তির কবল থেকে নিরাপদ ও সুপথ প্রাপ্ত। কেউ হিন্দু থেকে মুসলমান হলে তার শিরকের গুনাহ মাফ হবে যদি না আর শিরক করে। অর্থাৎ শিরক দ্বারা তাদের ঈমানকে আর কলুষিত করেনি, নিরাপত্তা লাভ তারাই করবে আর তারাই হল সঠিক পথপ্রাপ্ত। এজন্য তাকে তওবা করতে হবে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু!

2612 views

Related Questions

ভুলবশত শিরক?
2 Answers 3264 Views