নামায সম্পর্কে...?
2 Answers
কাতারে জায়গা না পাওয়ার কথা যদি বাস্তব হয় এবং সঙ্গে দাঁড়াবার মতো কাউকে না পাওয়া যায়, তাহলে একা দাঁড়িয়ে নামায হয়ে যাবে। কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে নামায হবে না তখন, যখন সামনের কাতারে জায়গা খালি থাকবে। সুতরাং এটি হবে ব্যাতিক্রমধর্মী ব্যাপার। যেহেতু কাতারে কেউ কাউকে টেনে নেওয়ার হাদীস সহীহ নয়। আর সে টানাতে অনেক নামাযীর নামাযের একাগ্রতায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ১৯৮ নাক থেকে রক্ত পড়তে শুরু করলে অথবা উযু নষ্ট হয়ে গেলে তা বাধ্য হয়ে যেতেই হয়। আর তাঁর ফলে সৃষ্ট ব্যাঘাত সামনে থেকে কাউকে টেনে নেওয়ার মতো নয়। যেহেতু একটি ব্যাপার বদলীল এবং অপরটি বেদলীল।
দেখবেেন সুত্র : ১৯৮ (ইবনে উষাইমীন)
কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে হান্নাদ (রহঃ) হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক ব্যাক্তি একবার কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাকে সালাত পূনরায় আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। (সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ২৩০ ইবনে মাজাহ ১০০৪) এই বিষয়ে আলী ইবনে শায়বান এবং ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ওয়াবিসা বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান। আলিমগণের একদল কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা অপছন্দীয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলে তা পুনরায় আদায় করতে হবে। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত এই। আলিমগনের অপর একদল বলেন কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলে তা হয়ে যাবে। এ হল ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ইমাম আবূ হানীফা, ইবনু মুবারাক ও শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত। হাম্মাদ ইবনু আবী সুলায়মান, ইবনু আবী লায়লা এবং ওয়াকী এর মত কূফাবাসী একদল আলিমও ওয়াবিসা ইবনু মাবাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি মর্মানুসারে মত পোষণ করে থাকেন। তারা বলেন, কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলে তা পুনরায় আদায় করতে হবে।