1 Answers

 খরগোশ এর প্রজাতি ঃঃবাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির খরগোশ পাওয়া যায়। তম্মধ্যে রয়েছে ডার্ক গ্রে (দেশী), ফক্স, ডাচ, নিউজিল্যান্ড লাল, নিউজিল্যান্ড সাদা, নিউজিল্যান্ড কালো, বেলজিয়াম সাদা এবং ছিনছিলা উল্লেখযোগ্য। 


আমরা খরগোশকে সাধারণত সৌখিন প্রাণী হিসেবে পালন করি। তবে, বাণিজ্যিকভাবে খরগোশ পালন করে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। খরগোশের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। 

খরগোশের মাংস গ্রহণের ধর্মীয় ব্যাখ্যা ঃখরগোশের মাংস মুসলমানদের জন্য হালাল। পবিত্র কুরআন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, খরগোশের মাংস খাওয়া মুসলমানদের জন্য যায়েজ। 
সুরা মা’য়েদাহ্তে আল্লাহ বলেছেনঃ তোমাদের জন্য হারাম (অবৈধ) করা হয়েছে মরা পশু, রক্ত ও শুকরের মাংস। আল্লাহ ভিন্ন অন্যের নামে উৎসর্গীকৃত পশু, গলাচেপে মারা জন্তু, প্রহারে মৃত জন্তু, পতনে মৃত জন্তু, শৃংগাঘাতে মৃত জন্তু এবং হিংস্র পশুতে খাওয়া জন্তু হারাম। যবেহ দ্বারা পবিত্র করা ছাড়া মূর্তি পূজার বেদীর উপর বলী দেয়া পশুও হারাম (তৃতীয় রুকু সুরা মা’ য়েদাহ্)। বিখ্যাত ফিকাহ গ্রন্থ “হিদ্রায়া”তে উল্লেখ করা হয়েছে, খরগোশের গোস্ত খাওয়াতে কোন অসুবিধা নেই। নবী করিম ছালালাহু আলাইহি ওয়াসালাম তাঁর সামনে উপস্থাপিত খরগোশের ভুনা গোস্ত খেয়েছেন এবং তা খাওয়ার জন্য সাহাবায়ে কেরামকেও নির্দেশ দিয়েছেন। আর খরগোশ মুর্দাখোর ও হিংস্র জন্তুর অন্তর্ভুক্ত নয় (দুররুল মুখতার)। বিড়াল ও বকরীর ন্যায় কান বিশিষ্ট দুই প্রকার খরগোশের গোস্ত খাওয়া বৈধ (তালীফায়ে রাশিদিয়া-পৃষ্ঠা-৪৫০)। 

2628 views Answered

Related Questions

Next steps