উসমান ইবন মাযউন (রাঃ)-এর মৃত্যুর পর তার কন্যাকে তার চাচা কুদামাহ বিয়ে দেন ইবন উমার (রাঃ)-এর সাথে। কিন্তু ইবন উমার (রাঃ) প্রথম সারির একজন সাহাবী হওয়া সত্ত্বেও মেয়েটি এ বিয়েতে রাজি ছিল না কারণ সে মুগীরা ইবন শুবা (রাঃ)-কে পছন্দ করতো এবং সে চেয়েছিল যেন মুগীরা ইবন শুবা (রাঃ) তাকে বিয়ে করেন। অবশেষে তার চাচা এ বিয়ে ভেঙে মুগীরা (রাঃ)-এর সাথে তার বিয়ে দেন। [ইবনে মাজা, ২য় খন্ড, ১৮৭৮ নং হাদীস]
2716 views

2 Answers

এতে করে ভালোবাসা বৈধতা প্রমান করেনা।অত্র হাদিস দ্বারা বুঝা গেল তার একজন ভালো লাগেনি তাই তার সাথে বিয়ে করেনি।আর অপরজন কে ভালো লেগেছে তাই তাকে বিয়ে করার জন্য আবেদন পেশ করেছে।আর এতে যে বিয়ের পূর্ব প্রেম করার কোনো চিন্থ নেই।

2716 views

উল্লেখিত হাদীস অনুসারে বিবাহের পূর্বে নাবালেগ মেয়েদের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করা বা দেওয়া যাবেনা। নাবালেগ মহিলাকে তার সুস্পষ্ট অনুমতি ব্যতিরেকে বিবাহ দেওয়া যাবে না। এতদানুসারে আলিমগণ বলেন, সুস্পষ্ট ভাবে না বলা পর্যন্ত অকুমারী মহিলার বিবাহ হতে পারে না। যদিও তার অলী তার অনুমতি ব্যতিরেকে তার বিবাহ দিয়ে দেয় এবং সে তা অপছন্দ করে তবে অধিকাংশ উলামার মতে, তার এ বিবাহ বাতিল হবে। অলী অনুমতি গ্রহণ না করে কুমারী কন্যাকে বিবাহ প্রদানের বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। কুফাবাসী এবং অপরাপর অধিকাংশ আলিমের মতে অলী যদি তার সাবালিকা কুমারী কন্যাকে সম্মতি না নিয়ে বিয়ে দিয়ে দেয় আর সে পিতৃপ্রদত্ত এই বিয়েতে সন্তুষ্ট না হয় তবে এই বিবাহ বাতিল হয়ে যাবে। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উসমান ইবনু মাযঊন (রাঃ) ইন্তিকালের সময় তার একটি কন্যা সন্তান রেখে যান। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, আমার মামা এবং ঐ মেয়ের চাচা কুদামা মেয়েটির পিতার মৃত্যুর পর মেয়েটির সাথে পরামর্শ না করেই তাকে আমার সাথে বিবাহ দেন। সে তার দেয়া এ বিবাহ অপছন্দ করে এবং মুগীরাহ ইবনু শু’বাহর সাথে বিবাহিত হতে পছন্দ করে। অতএব কুদামা মুগীরার সাথে তার বিবাহ দেন। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ১৮৭৮] ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অকুমারী মহিলাকে তার সুস্পষ্ট অনুমতি ব্যতিরেকে বিবাহ দেওয়া যাবে না। কুমারী মহিলাকেও তার সম্মতি ব্যতিরেকে বিবাহ দেওয়া যাবে না। আর চুপ থাকাই তার সম্মতি। [সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ১১০৭] কুতায়বা (রহঃ) ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অকুমারী মেয়ে নিজের ব্যপারে তার ওলীর অপেক্ষা অধিক হকদার। কুমারীর বেলায় তার বিষয়ে তার নিকট থেকে অনুমতি নিতে হবে। আর তার চুপ থাকা অনুমতি। [সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ১১০৮]  

2716 views

Related Questions