রোগ ব্যাধী সম্পর্কে এস্তেখারা নামাজ পড়া যাবে বা ইস্তেখারা করা যাবে?

যেমন--আমার কী রোগ হয়েছে বা হতে পারে এবং এ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী।। এ বিষয়ে ইস্তেখারা করা যাবে/জায়েয আছে??
2943 views

2 Answers

ইস্তেখারার নামাজ মানে কল্যাণ কামনার নামাজ। কোনো কাজ করার ইচ্ছা করলে সেটা তার জন্য কল্যাণকর হবে না অকল্যাণকর হবে সে বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা লাভের জন্য ইস্তেখারার বিধান রয়েছে। কি রোগ হবে বা তার থেকে মুক্তি উপায় কি এর জন্য ইস্তেখারা নামাজের বিধান নেই। তবে রোগ মুক্তির জন্য নফল নামাজ পড়ে আল্লাহর নিকট দুআ করা যেতে পারে।

2943 views Answered

ইস্তেখারা হচ্ছে মঙ্গল জ্ঞান লাভ করার একটি আমল। রোগ ব্যাধি সম্পর্কে এস্তেখারা পড়া যাবেনা।  জাবের (রাঃ) বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সাঃ) আমাদেরকে যাবতীয় কাজের জন্য ইস্তেখারা শিখাতেন। যেভাবে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। আর বলতেন, যখন তোমাদের কারো কোন বিশেষ কাজ করার ইচ্ছা হয়, তখন সে যেন ফরয সালাত ব্যতীত দুই রাকআত নামায পড়ে এই দোআ বলেঃ- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বইলমিকা অ আস্তাক্বদিরুকা বি ক্বুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফাযবলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্বদিরু অলা আক্বদিরু অতালামু অলা আলামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা (এখানে যে কাজের জন্য ইস্তেখারা করা হচ্ছে তা মনে মনে উল্লেখ করবে) খাইরুল লী ফী দ্বীনী অ মাআশী অ আ-ক্বিবাতি আমরী অ আ-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্বদুরহু লী, অয়্যাস্সিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা শার্রুল লী ফী দ্বীনী অ মাআশী অ আ-ক্বিবাতি আমরী অ আ-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা আরযিবনী বিহ। অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট তোমার ইলমের সাথে মঙ্গল প্রার্থনা করছি। তোমার কুদরতের সাথে শক্তি প্রার্থনা করছি এবং তোমার বিরাট অনুগ্রহ থেকে ভিক্ষা যাচনা করছি। কেননা, তুমি শক্তি রাখ, আমি শক্তি রাখি না। তুমি জান, আমি জানি না এবং তুমি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! যদি তুমি এই (এখানে যে কাজের জন্য ইস্তেখারা করা হচ্ছে তা মনে মনে উল্লেখ করবে) কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে ভালো জান, তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত ও সহজ করে দাও। অতঃপর তাতে আমার জন্য বরকত দান কর। আর যদি তুমি এই কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে মন্দ জান, তাহলে তা আমার নিকট থেকে ফিরিয়ে নাও এবং আমাকে ওর নিকট থেকে সরিয়ে দাও। আর যেখানেই হোক মঙ্গল আমার জন্য বাস্তবায়িত কর, অতঃপর তাতে আমার মনকে পরিতুষ্ট করে দাও।

2943 views Answered

Related Questions

Next steps