7 Answers
আপনি মিলাদের কোন অবস্থাকে বুঝাতে চেয়েছেন।কারন মিলাদ মানে রাসূলের উপর দরূদ সালাম ও দোয়া,ইসতেগফার করা হয়.যা অবশ্যই জায়েয।
মিলাদ-কিয়াম বিদআত। কেননা আল্লাহর কিতাব, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত, সাহাবাদের আমল এবং সম্মানিত তিন যুগের কোন যুগে এর কোন অস্তিত্ব ছিলনা। তাই আমরা এটাকে বিদআত বলি। কারণ যে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হবে, কোরআন বা সুন্নাহয় অবশ্যই তার পক্ষে দলীল থাকতে হবে। আর মিলাদ-কিয়ামের পক্ষে এরকম কোন দলীল নেই বলেই এটি একটি বিদআতী ইবাদত। মূলতঃ হিজরী ৬ষ্ঠ শতাব্দী পর্যন্ত এ ধরনের মিলাদ কোথাও অনুষ্ঠিত হয়নি। ৬ষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর পর বাদশা মুজাফফররুদ্দীন আবু সাঈদ কৌকরী বিন আরবাল তিনি আমোদ-প্রমোদের জন্য এ বিদাতের সর্বপ্রথম উদ্ভোধন করেন। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া- ১৩/১৫৯) যার প্রকৃত ইতিহাস এই–
ইসলামিক ভাবে মিলাদ পড়া যাবে|কারণ মিলাদে দুরুদ পড়া হয় আর দুরুদ শরীফ মৃত্যু ব্যাক্তির রুহু মোবারকে পোউছায়|
মিলাদ মানে রাসুলে কারীম (সঃ) এর উপর দরুদ পড়া যা আমাদের জন্য একান্ত জরুরী। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রচলিত মিলাদে দাড়িয়ে যে কিয়াম করা হয়, তা ইসলামে বিদআত।
মিলাদ শুধু মাত্র এই ভারত উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে প্রচলিত।আর এটা বর্তমান যুগে আবিষ্কৃত।আর ইসলাম একে বিদআত ঘোষনা করেছে।তাই মিলাদ জায়েজ নয়।
রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে বিদআত উদ্ভাবন করে কিংবা কোন বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তাআলা ফিরিশতা ও সকল মানুষের লানত।
কাসীর ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি আমার ''মৃত্যুর'' পরে বিলুপ্ত হওয়া আমার কোন সুন্নাত জীবিত করলো, সে তদনুযায়ী আমালকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে আমালকারীদের সাওয়াবের সামান্যও হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যাক্তি এমন কোন বিদআতের প্রচলন করলো, যার প্রতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সন্তুষ্ট নন, তার উপর বিদআত অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ গুনাহ বর্তাবে এবং তাতে অনুসরণকারীদের পাপের পরিমাণ কিছুই হ্রাস পাবে না। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ২১০]
মিলাদ অর্থ জন্ম। জন্ম কখনো পড়া যায়না, কারো ''রাসুল (সাঃ)'' এর জন্মের কথা আলোচনা করা যায়। এতে সওয়াব আছে।
হাদিসের বানীঃ- ইসহাক ইবনু মানসূর কাউসাজ (রহঃ) আবূ তালহা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সানন্দে আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, আজ আমরা আপনার চেহারায় প্রফুল্লতা দেখছি! তিনি বললেন, আমার কাছে একজন ফেরেশতা এসে বলল, হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার প্রভু বলছেন যে, আপনাকে কি একথা খুশি করবে না, যে ব্যক্তি আপনার উপর একবার দরুদ পড়বে আমি তাঁর উপর দশটি রহমত নাযিল করব। আর যে ব্যক্তি আপনার উপর একবার সালাম পাঠাবে আমি তাঁর উপর দশটি শান্তি বর্ষণ করব। [সূনান নাসাঈ, হাদিস নম্বরঃ ১২৮৩]
উত্তম দরুদ হলো দরুদে ইব্রাহীম। বর্তমান সময়ে যেই দরুদ ''ইয়া নবি'' পড়া হয় তা একটি কবিতার মত যার কোন সহিহ বা যইফ রেফারেন্স নেই। কোন সাহাবি তাবেঈ এমন দরুদ পড়েননি। এটি নব আবিস্কৃত বলেই বিদায়াত বা নাজায়েজ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy