4 Answers
১।তুমি আমার রঙিন সপ্ন, শিল্পীর রঙ্গে ছবি। তুমি আমার চাদের আলো, সকাল বেলার রবি। ২।আমার শোকে ছড়িয়ে দিও,জবা ফুলের লাল।বন্ধু আমি তোমার নিশি,জাগবো চিরকাল।
বহুক্ষণ মুখোমুখি চুপচাপ, একবার চোখ তুলে সেতু আবার আলাদা দৃষ্টি, টেবিলে রয়েছে শুয়ে পুরোনো পত্রিকা প্যান্টের নিচে চটি, ওপাশে শাড়ির পাড়ে দুটি পা-ই ঢাকা এপাশে বোতাম খোলা বুক, একদিন না-কামানো দাড়ি ওপাশে এলো খোঁপা, ব্লাউজের নীচে কিছু মসৃণ নগ্নতা বাইরে পায়ের শব্দ, দূরে কাছে কারা যায় কারা ফিরে আসে বাতাস আসেনি আজ, রোদ গেছে বিদেশ ভ্রমণে। আপাতত প্রকৃতির অনুকারী ওরা দুই মানুষ-মানুষী দু‘খানি চেয়ারে স্তব্ধ, একজন জ্বলে সিগারেট অন্যজন ঠোঁটে থেকে হাসিটুকু মুছেও মোছে না আঙুলে চিকচিকে আংটি, চুলের কিনারে একটু ঘুম ফের চোখ তুলে কিছু স্তব্ধতার বিনিময়, সময় ভিখারী হয়ে ঘোরে অথচ সময়ই জানে, কথা আছে, ঢের কথা আছে। তথ্যসুত্র:আজিদুর রহমান তাজু।
তুই থাক তোর সংসারে, আমার তাতে কি যায় আসে? আমি তো হই জাত যাযাবর ঘুরে মরি তোর উদ্দেশ্যে।
ছন্দের কবিতা শেষ থেকে শুরু শুধুই তুমি জীবনটা যদি হতো প্রেমের কবিতা তবে আমি ছন্দ হোতাম তোমার কবিতার । শুধু ছন্দ নয়,চরন,শব্দ গোটা কবিতাই, তখন আমিই হোতাম তোমার সব কিছু। আমার জীবনটা হয়নি প্রেমের কবিতা আর তুমি ও হয়নি শেষ পর্যন্ত আমার জীবনের কবি… তাই ছন্দ আর কবির সম্পর্ক হয়নি, হয়েছে শুধুই বিচ্ছেদ…। তুমি জীবন সংগ্রামে পরাজিত কবি আর আমি তোমার ছন্দ যুদ্ধে আহত শরণার্থী । তুমি হতে চেয়ে ছিলে ছন্দের কবি, আর লিখতে চেয়ে ছিল শুধুই ছন্দের কবিতা, তোমার জন্য আর আমার জন্য তুমি পারবে কি সেই কবিতা আর লিখতে……?