4 Answers
আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী আপনার জীবনের লক্ষ্য নির্ধারন করুন।আর নিজেকে একটু ভাবার সময় দিন।
ভাইয়া, জীবনে টাকা পয়সা সবকিছু নয়। আপনি তা করুন যা আপনি ভালবাসেন। যদি আপনি সামাজিক চাপের মুখে এমন কোন পেশায় যান যা আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে, তবে সারাজিবন পস্তাবেন।
একটা উদাহরন দিলামঃ
আপনার প্যাসন ফোটোগ্রাফিতে, আপনার বাবা-মা চায় আপনি একজন প্রকৌশলী হবেন। কিন্তু আপনি মনে প্রানে ফোটোগ্রাফি কে ভালো বাসেন, আপনার হৃদয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য কোন স্থান নেই। আপনি এই বিষয় এর ওপর পড়ালেখা করলে বাবা মা হয়ত বা প্রথমে খুব কষ্ট পাবে, কিন্তু যখন দেখবে আপনি খুব আগ্রহ ও খুশি মনে চাকরি করছেন তখন তারাও খুশি হবে কারণ আপনি তাদের সন্তান, আপনাকে তারা ভালবাসে। হয়ত আপনি বেতন কম পাবেন, ঘর একটু ছোটো হবে, ঈদে দুটোর বদলে একটা জামা কিনলেন, কিন্তু টাও আপনার মানসিক শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করবেন।
কিন্তু যদি শুধু মাত্র মানুষের চক্ষুলজ্জার দায়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পরেন তবে জিবনের আগামী ৬০ বছর হয়তবা ভালো চাকরি করবেন, বেতন বেশি থাকবে কিন্তু মনে শান্তি থাকবে না। ডিপ্রেশনের চরম পর্যায় চলে যাবেন। টাকা, বাড়ি, মানুষ জন সবই থাকবে, শুধু থাকবে না সুখ-শান্তি। ধিরে ধিরে নিজেকে ঘৃণা করতে থাকবে এবং দিন দিন সেই সব মানুষের প্রতি ভালবাসা কমতে থাকবে যাদের জন্য আপনার এই অবস্থা। মরার আদ অব্দি এই যন্ত্রণা আপনাকে তিলে তিলে শেষ করে ফেলবে। হয়ত বা জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগের সময়ও আপনার অন্তরআত্মা আপনাকে বলবে , "যদি সেদিন একবার নিজের মনের কথা শুনতাম...তবে আজ হয়ত আমার পুরোটা জীবন বদলে যেতো...বিদায় দুনিয়া"
প্রথমে নিজেকে হতাশা থেকে বার করুন। এবং নিজের সম্পর্কে ভাবুন। এখন যেমন আছেন সেমন থাকতে চান না উন্নীত হতে চান। নিজেকে নিয়ে ভাবুন। নিজের বাবা মায়ের কথা ভাবুন। এবং এখন যেই পজিশন এ আছেন সেটা নিয়ে ভাবুন। এবং একটা স্ট্রং ডিসিশন নিন।