ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করার জন্য কি ব্যবহার করব?
6 Answers
★ব্রণ হলে ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য এবং মিছরীর সরবত খাওয়া উচিত। শিমুলের ছাল বেঁটে ব্রণের ওপর লাগালে ব্রণ সেরে যায়।
★ব্রণ ও চুলকানিতে চিরতার ক্বাথ তৈরি করে প্রত্যহ সকালে মিছরী চূর্ণসহ খাওয়া উচিত।
★ব্রণ হলে নিমপাতা বা নিমফলের বিচি পানিসহ বেঁটে ৪-৫ দিন ব্রণে ব্যবহার করা উচিত।
https://free.facebook.com/badshahniazulhasanjewel/about?lst=100007432598691%3A100007432598691%3A1530781575&refid=17
ব্রণ এবং ব্রণের সমস্যা স্কিন, অনেক সময় হজমজনিত সমস্যার কারনে হয়ে থাকে। সুতরাং আপনার উচিত হবে েএকজন “স্কিন বিশেষজ্ঞ” ডাক্তার দেখানো।
- ডাক্তারি পদ্ধতি
- ঘরোয়া পদ্ধতি
ডাক্তারি পদ্ধতি -আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যেকোনো একটা ক্রিম ব্যাবহার করতে পারেন।তবে ফোনা প্লাস বেশি কার্যকরী।
ঘরোয়া পদ্ধতি -আপনি ১ হাতের তালুতে লেবুর রসের সাথে ১ ফোটা মধু মাখিয়ে নিতে পারেন। এটাই ঘোরোয়া পদ্ধতিতে সব থেকে বেশি কার্যকারী ।
এসপিরিন
নিউইয়র্কের ডার্মাটোলজিস্ট এবং স্কিন রুলস বইয়ের লেখক ডেবরা জেলিমান জানান, এসপিরিন হলো এক ধরনের সলিসিলিক এসিড। একনি বা ব্রণ দূর করার পণ্যগুলোতে এই উপাদান ব্যবহার করা হয়। এসপিরিন গুঁড়ো করে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তুলার মধ্যে লাগিয়ে এই পেস্ট সরাসরি ব্রণের মধ্যে ১০ মিনিট রাখুন। এর পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
চা-গাছের তেল
চা-গাছের তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-সেপটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। কয়েক ফোঁটা চা-গাছের তেল তুলার মধ্যে লাগিয়ে খুব নরমভাবে ব্রণ ও দাগে লাগান। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে ব্রণ সেরে উঠেছে।
বরফ
ড. জেলিমান জানান, গোড়ালি মচকে গেলে এর ফোলা কমাতে বরফ কাজ করে। এটি ব্রণের প্রদাহ কমাতেও বেশ কার্যকর। একটি বরফের ছোট টুকরো পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে নিয়ে এক মিনিটের জন্য ব্রণের মধ্যে রাখুন। এই পদ্ধতি ব্রণের লাল হওয়া ও ফোলাভাব কমাবে।
লেবুর রস
লেবুর রসের মধ্যে রয়েছে সাইট্রিক এসিড। রয়েছে এল-এসকোরোবিক এসিড, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উৎস। একটি তুলোর টুকরোর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে ব্রণে লাগান। সারা রাত রাখুন। ব্রন দূর করতে এই পদ্ধতিও বেশ কার্যকর।
রসুন
রসুনের গন্ধ হয়তো আপনার বিরক্ত লাগতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান; যা ব্রণ দূর করে। রসুন দেহের বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধেও উপকারী। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ করে। রসুনে রয়েছে এলিসিন ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। রসুন কেটে পানির সঙ্গে পেস্ট করুন। এরপর ব্রণের মধ্যে পাঁচ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
মধু
ব্রণ দূর করতে মধুও খুব উপকারী। মিষ্টি স্বাদের এই খাবারটি আপনি মাস্কের মতো মুখে লাগাতে পারেন। পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ভেতর আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি সেপটিক উপাদান। তবে নিয়মিতি মধু ব্যবহারে ব্রণ একেবারেই সারবে কি না, সেটা নিয়ে গবেষকরা এখনো দ্বন্দ্বে রয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ, চেষ্টা করুন অপ্রক্রিয়াজাত বা টাটকা মধু ব্যবহার করতে।
এই গরমে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি। বিশেষ করে যদি স্কিন তৈলাক্ত হয় তাহলে তো কথাই নাই। গরম, রোদ, ধুলা থেকে বেঁচে চলুন, প্রচুর পানি খান। চেহারা পরিষ্কার রাখুন। ব্রণ থেকে প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য এই ভিডিওটি দেখুন।