নাক ডাকা..?
ঘুমানোর সময় নাক ডাকা রোধ করতে কোনো ঔষধের নাম জানা থাকলে বলেন...?
কোনো রকম পরামরশো দেয়া থেকে বিরত থাকুন
2871 views
3 Answers
আপনি হোমিও চিকিৎসা নিতে পারেন। নাক ডাকা সমস্যা সমাধানে হোমিও চিকিৎসা খুবই কার্যকর।
2871 views
Answered
নাক ডাকা বন্ধের সহজ কয়েকটি পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। উপকারে আসতে পারে।
১. এলাচ: অনেক সময় নাকের অন্দরে কোনো বাঁধা থাকার কারণে নাক ডাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে নিয়মিত ঘুমনোর আগে এলাচ চা খেলে কিন্তু দারুন উপকার মেলে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি অন্দরে উপস্থিত একাধিক উপাকারি উপাদান নাকের ভিতরের বাঁধা সরিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর একবার শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক মতো হতে থাকলে নাক ডাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
২. হলুদ: অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানে পরিপূর্ণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে কমে নাক ডাকার প্রবণতাও। এক্ষেত্রে প্রতিদিন শুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস গরম দুধে ২ চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করার অভ্যাস করতে হবে। এমনটা করলেই দেখবেন রাতের ঘুমে কেউ ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না।
৩. ক্য়ামোমাইল চা: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এই বিশেষ ধরনের পানীয়টি গ্রহণ করলে শরীরের অন্দরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা নাক ডাকার প্রবণতা কমায়। সেই সঙ্গে নার্ভ এবং পেশীর কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ গরম জলে, ক্য়ামোমাইল ফুলের নির্জাস দিয়ে তৈরি টি ব্যাগ কম করে ১৫ মিনিট চুবিয়ে রাখতে হবে। সময় হয়ে যাওয়ার পর চাটা পান করে শুতে যেতে হবে। এমনটা প্রতিদিন করতে পারলেই দেখবেন নাক ডাকা বন্ধ হয়ে যাবে।
৪. ঘি: নাক ডাকার সমস্যা কমাতে ঘি-এর কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে অল্প পরিমাণ ঘি গরম করে তার থেকে ২-৩ ড্রপ করে নিয়ে যদি নিয়মিত নাকে দেওয়া যায়, তাহলে নাসিকা গর্জ থামতে একেবারেই সময় লাগে না। আসলে ঘিয়ে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান নাকের অন্দরে বায়ু-চলাচলের পথকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। ফলে নাক ডাকার প্রবণতা একেবারে কমে যায়।
৫. মধু: রাতে শুতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে যদি এক গ্লাস গরম জলে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে নাকা ডাকার সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগই পায় না। কারণ মধুর অন্দরে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদান গলার প্রদাহ কমায়। সেই সঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করে তোলে। ফলে নাক ডাকার সম্ভাবনা কমে।
৬. অলিভ অয়েল: রাত্রে শুতে য়াওয়ার আগে মনে করে দু চামচ অলিভ অয়েল খেলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে রেসপিরেটরি প্যাসেজ খুলতে শুরু করে। আর একবার এমনটা হয়ে গেলে বাতাস চলাচলে কোনো বাঁধার সৃষ্টি হয় না, ফলে নাক ডাকার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
2871 views
Answered