10 Answers
ভাই মসজিদ হলো আল্লার ঘর ।আর বাড়িতে তেমন ভাবে নামাজ হবে না ।পুরুষ মানুষের জন্য বাড়িতে নামাজ পড়া নিষেধ ।মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ পড়লে অনেক গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়
বাসায় জামাত ও মসজিদের জামাতের বধ্যে পার্থক্য হলো= মসসিদে যেতে হাটতে হয় ও প্রতি কদমে সওয়াব পাওয়া যায়। বাসায় তো হাটা হয়না।
বাসায় নামাজ পড়লেও নামাজ আদায় হয়।তবে বাসায় নামাজ পড়ে যে সওয়াব পাওয়া যায়,তার থেকে ২৭ গুণ সওয়াব পাওয়া যায় জামাতে নামাজ পড়ে।
বাসায় যেভাবেই নামাজ আদায় করেন না কেন , একই সওয়াব পাবেন। কিন্তু মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করলে একাকী নামায আদায় করার চাইতে ২৭ গুণ বেশি সওয়াব পাবেন।
আপনি যদি জামাতে নামাজ পরেন তবে আপনি মসজিদ এ জামাতে নামাজ পরার সওয়াব পাবেন।চাই বাড়িতে-খোলা মাঠে-বাড়ির ছাদে ;সওয়াব একই হবে।
মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের সওয়াব সম্পর্কে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জামাতে নামাজ পড়ার ফজিলত একা পড়ার চেয়ে ২৭ গুণ বেশি।’ -সহিহ বোখারি ও মুসলিম হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হাদিসে আরও বলেছেন, ‘একজন লোক ঘরে নামাজ পড়লে একটি নেকি পান, তিনি ওয়াক্তিয়া মসজিদে পড়লে ২৫ গুণ, জুমা মসজিদে পড়লে ৫০০ গুণ, মসজিদে আকসায় পড়লে ৫০ হাজার গুণ, আমার মসজিদে অর্থাৎ মসজিদে নববীতে পড়লে ৫০ হাজার গুণ এবং মসজিদুল হারাম বা কাবার ঘরে পড়লে এক লাখ গুণ সওয়াব পাবেন।’ -ইবনে মাজা ও মিশকাত
পারথক্য হল যে 1--মসজিদে গেলে প্রতি কদমে ছাওয়াব লেখা হয়৷ 2--এতেকাফের ছাওয়াব পাওয়া যায়৷ 3-- মসজিদে লোক সংখা বেশি হয় ফলে ছাওয়াবও বেশি৷ 4-- জামাত কায়েমের দ্বারা অব্যাহত থাকে৷ 5-- মুসুল্লির দেখা দেখি অনেকে মসজিদে যায়৷ 6-- মসজিদে গেলে কষ্ট বেশি ফলে ছাওয়াব ও বেশি৷ এছারা আরো অনেক দিকদিয়ে ছাওয়াব বেশি পাওয়া যায়৷ যা বাসায় জামাত করলে হয়না৷
বাসায় জামাতে নামাজ পড়লে একাকী নামাজের চেয়ে ২৫ গুণ বেশী সওয়াব পাবেন।আর মহল্লার মসজিদে নামাজ পড়লে ২৭ গুণ সওয়াব পাবেন।এবং জুম্মামসজিদে নামাজ পড়লে ৫০০ গুণ সওয়াব পাবেন।(বে:জে:)তাহলে আপনার নামাজ মসজিদে পড়াই উত্তম।তবে বিভিন্ন হাদিসে ভিন্ন ফজিলত এসেছে।আর রোজার সময় তা ৭০ গুণ বেড়ে যায়। সুবহানআল্লাহ।