3 Answers

আল্লাহর কাছে বান্দার সরাসরি ক্ষমা চাওয়া ও প্রার্থনা নিবেদনের নাম মোনাজাত। আল্লাহ স্বীয় বান্দার চোখের ভাষা বুঝেন ও হৃদয়ের কান্না শোনেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। তারাবীহ নামাজের মুনাজাত আরবিতে না পাড়লে বাংলায় করবেন। দ্বীন-দুনিয়ার এমন কোন বিষয় নেই, সবকিছুই আল্লাহর কাছে চাইতে পারবেন। যা মনে চায় আল্লাহর কাছে তাই চাইবেন আর এটাই মোনাজাত।

2930 views Answered
রামাদানের কিয়ামুল্লাইলকে ‘সালাতুত তারাবীহ’ বা ‘বিশ্রামের সালাত’ বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে তিনি নিজে ও সাহাবীগণ রামাদান ও অন্যান্য সকল মাসেই মধ্যরাত থেকে শেষ রাত পর্যন্ত ৪/৫ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে একাকি কিয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ আদায় করতেন। উমার (রা) এর সময় থেকে মুসলিমগণ জামাআতে তারাবীহ আদায় করতেন। সাধারণত ইশার পর থেকে শেষরাত্র বা  সাহরীর পূর্ব সময় পর্যন্ত ৫/৬ ঘণ্টা যাবৎ তাঁরা একটানা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তারাবীহের সালাত আদায় করতেন।

যেহেতু এভাবে একটানা কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা খুবই কষ্টকর, সেহেতু পরবর্তী সময়ে প্রতি ৪ রাক‘আত সালাত আদায়ের পরে প্রায় ৪ রাক‘আত সালাতের সম পরিমাণ সময় বিশ্রাম নেয়ার রীতি প্রচলিত হয়। এজন্যই পরবর্তীকালে এ সালাত ‘সালাতুত তারাবীহ’ বলে প্রসিদ্ধ হয়।

এ ‘বিশ্রাম’ সালাতের বা ইবাদতের কোনো অংশ নয়। বিশ্রাম না করলে সাওয়াব কম হবে বা বিশ্রামের কমবেশির কারণে সাওয়াব কমবেশি হবে এরূপ কোনো বিষয় নয়। বিশ্রাম মূলত ভালভাবে সালাত আদায়ের উপকরণ মাত্র। বিশ্রামের সময়ে মুসল্লী যে কোনো কাজ করতে পারেন, বসে বা শুয়ে থাকতে পারেন, অন্য নামায আদায় করতে পারেন, কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন বা দোয়া বা যিকর-এ রত থাকতে পারেন। এ বিষয়ে কোনো নির্ধারিত কিছুই নেই।
2930 views Answered

তারাবীহ নামাজের সুনির্দিষ্ট কোনো মুনাজাত নেই। সুতরাং সেটা না পারারও কোনো প্রসঙ্গ নেই। দুআ করবেন বাংলায়। যে কোনো সময় করতে পারেন। এর জন্য কোনো সময় বেধে দেয়া নেই। তারাবীহ নামাজের দুআ বা মোনাজাত নামে যা সমাজে চালু আছে তার কোনো ভিত্তি নেই। সুতরাং ইচ্ছে হলে আপনি নিজের মতো করে তারাবীহ নামাজ শেষে কিংবা দু রাকাত পর বা চার রাকত পর দুআ করতে পারেন।

2930 views Answered

Related Questions

Next steps