অনেক দিন যাবত পর্যন্ত শুকনো কাঁশির জন্য কষ্ট পাচ্ছি, অনেক ঔষধ খেয়েছি। কি খেলে শুকনো কাঁশি সেরে যাবে?
3065 views

5 Answers

শুকনো কাশির জন্য কিছু ঘরোয়া প্রতিকার। ১. মধু ও গোলমরিচঃ আপনি হয় খাঁটি মধু ও গোলমরিচ দিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন অথবা এই দুটি কার্যকর উপকরণকে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে পারেন যা আপনাকে গলার অসুবিধা ও ভারিভাব থেকে রেহাই দেবে। শুকনো কাশি থেকে নিস্তার পেতে এই মিশ্রণটি রোজ কমপক্ষে ৩-৪ দিন ব্যবহার করুন। ২. গারগল করাঃ একটানা কাশির থেকে রেহাই পেতে সবথেকে সহজ উপায় হল, লবন-জল দিয়ে গারগল করা। বহু পুরানো এই প্রতিকারটি আপনার গলায় ও বুকে জমে থাকা কফের জন্য বিস্ময়কর ফল দিতে পারে। শুকনো কাশি তাড়াতে কমপক্ষে ১ সপ্তাহ সারা দিন ধরে গারগল করুন। ৩. ভাপঃ একটা পাত্রে গরম জল নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা পিপারমেন্ট, ল্যাভেন্ডার ইত্যাদির মতো কোন এসেনশিয়াল ওয়েল মেশান। দিনে ২-৩ বার এর থেকে ভাপ নিন।টানা শুকনো কাশির সাথে লড়তে ১ সপ্তাহ ধরে দিনে ২-৩ বার এই ভাপ নিন। ৪. হলুদঃ হলুদের অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা সেইসব জীবানু ও ব্যাকটেরিয়াকেও কার্যকরভাবে লড়ে তাড়ায়। এই কাশির তীব্রতা কমাতে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে পান করুন। ৫. গরম পানীয়ঃ গরম পানীয় যেমন স্যুপ শুকনো কাশি প্রশমিত করতে সাহায্য করে। এটি মিউকাস মেমব্রেনকে আরাম দেয় ও আরো ক্ষতি হওয়ার থেকে রক্ষা করে। ৬. আদা চাঃ টানা শুকনো কাশি প্রশমন করতে, শুধুমাত্র এক কাপ আদা-চা খুবই কার্যকর প্রমানিত হতে পারে। শুকনো কাশি দমন করতে এই সহজ ঘরোয়া প্রতিকারটি ট্রাই করুন। ৭. মার্শমেলো চাঃ প্রকৃতির শুকনো কাশি নিরাময়ে, মার্শমেলো চা এই একটি বহু পুরানো ঘরোয়া প্রতিকার।এই সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে, মার্শমেলো চা ১ সপ্তাহ ধরে রোজ পান করুন, আর গলার ভারি ভাব থেকে মুক্তি পান।

3065 views

শুষ্ক বা ভেজা, দুই ধরনের কফ দারুণ বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শুকনো কাশি খুবই দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ কাশিতে থুতু বা কফ উৎপন্ন হয় না। এতে মনে হয়, গলায় কিছু আটকে রয়েছে যা ক্রমাগত কাশি সৃষ্টি করে। মারাত্মক সংক্রমণ, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিস এবং ধূমপানের কারণেও শুকনো কাশির উদ্রেক হতে পারে। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে ৫টি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি ও উপাদানের কথা। বাড়িতেই মিলবে শুকনো কাশির সমাধান। ১. গার্গেল : বহুল প্রচলিত এবং কার্যকর এক পদ্ধতি। উষ্ণ পানিতে হালকা লবণ মিশিয়ে গার্গেল করুন। এতে বেশ আরাম মেলে। ২. মধু : ছোট থেকে বড় সবাই মধু খেয়ে এর সুভিধা ভোগ করতে পারেন। তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়। মধুতে বেদনানাশক উপাদান রয়েছে। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। গলার খুশখুশে ভাব চলে যাবে। ৩. আদা : কফের নিরাময়ে এটাই সবচেয়ে কাজের জিনিস। এতে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। সামান্য পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে কেটে নিন। এক কাপ পানিতে এই আদা গরম করে নিন। খাওয়ার আগে ঠাণ্ডা হতে দিন। ক্রমাগত কাশিতে আদা খুবই উপাকারী। ৪. হলুদ : কফের ক্ষেত্রে হলুদ ওষুধের মতো কাজ করে। এর কিছু উপাদান ইনফেকশনের ক্ষেত্রে ভালো কাজ দেয়। এতে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস রয়েছে। এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে গুলমরিচ মিশিয়ে এক কাপ পানিতে গরম করুন। একে একটানা ২-৩ মিনিট গরম করে নিন। এটি খেলে দারুণ উপকার পাবেন। ৫. রসুন : এর বহুগুণের কথা সবাই জানেন। রসুনের অ্যালিসিন নামের উপাদান জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এই উপাদানটি রসুনের বাজে গন্ধের কারণ হলেও তা শুকনো কাশি দূর করতে ওস্তাদ।

3065 views

আপনি ডিভাস সিরাপটি খেতে পারেন।

3065 views

আপনার যেহেতু শুকনো কাশি অনেক দিন যাবৎ ধরে। ঔষধ খেয়ে এখনো ভালো কোনো ফলাফল পেলেন না। তাই বলছিলাম, ভালো কোনো ডাক্তার দেখিয়ে বা পরামর্শ নিয়ে ঔষধ সেবন করা প্রয়োজন। আমি এটাই বেটার মনে করি। তারপরও আপনি জানতে চেয়েছেন কিভাবে দূর হতে পারে। আমার ধারণা অনুযায়ী বলব যা কিছুটা হলেও ফল পাবেন। আপনি এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে লবণ মিশিয়ে কয়েকবার গড়গড় করুন। এভাবে কয়েকদিন করুন। অথবা আপনি আদা খেতে পারেন আদা শুকনো কাশির জন্যে খুবই উপকারী। ট্রাই করে দেখুন আল্লাহর রহমতে ভালো হতেও পারে।

3065 views

আপনি ডাইকোনেক্স প্লাস খান। ১০০% কার্যকরী।। দাম :-৬০ টাকা গায়ের রেট। আরো কমও দিতে পারেন...

3065 views

Related Questions

ল্যরি কিং কে?
1 Answers 2515 Views
কাশি সমস্যা?
5 Answers 3027 Views