3 Answers
ফরয নামাযের পর যে ব্যক্তি আয়তুল কুরছি পড়বে তার জান্নাতে যাওয়ার বাধা হল মৃর্ত্য। সুতরাং এ আমলটি করা উত্তম।
আমাদের দেশে প্রায় ফরয সালাতের পর হাত তুলে দোয়া করেন। কিন্তু ফরয সালাতের পর দোয়া করা বিদয়াত কিন্তু এটা রাসূল (সাঃ) কখনো করে নি । রাসূল (সাঃ) ফরয সালাতের পর বিভিন্ন প্রকারের মাসনূন দোয়া কালাম পাঠ করতেন এবং উম্মতকেও পাঠ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করতেন। তবে যে সকল ফরয নামাযান্তে সুন্নত ও নফল নামায আছে সেক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত এবং যে সকল নামাযের পর সুন্নত নফল নেই,তাতে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ দোয়া কালাম পাঠ করতেন। ফরয নামায শেষে অন্যদের নামাযের ক্ষতি বা অসুবিধা না হলে উচ্চৈঃস্বরে যিকর আযকার ও দোয়া কালাম করা শরীয়তসম্মত। ফরয নামাযের শেষে স্থান পরিবর্তন করে সুন্নত ও নফল আদায় করা উত্তম। ফরয নামাযের যা পড়বেন। হাদীস শরীফে এসেছে- হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাযের পর ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ এবং ৩৩ বার আল্লাহু আকবার বলবে, আর এতে মোট ৯৯ বার হবে একশ পূর্ণ হওয়ার জন্য বলবে- বাকিটুকু মন্তব্যে.....
ফরজ নামাজের পরে কোন নিদিষ্ট দোয়া, যিকির নেই,, আপনি নামাজের পরে,মন চাইলে কোরআন শরিফ পড়তে পারেন,দরুদ শরিফ পড়তে পারেন,,বা যিকির করতে পারেন,, সেটা আপনার ইচ্ছা।।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy