ফরজ গোছল প্রসঙ্গে কিছু কথা জানতে চাই?
(একজায়গায় পড়েছি)
================
গোসলের ফরজ তিনটিঃ
১. একবার কুলি করা ফরজ।
১. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছিয়ে পরিষ্কার করা ফরজ।
৩.সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছানো ফরজ।
যার উপর গোসল ফরজ হয়েছে, সে যদি গোসলের একটা ফরজ বাদ দিয়ে শতবার গোসল করে, তবু তার শরীর নাপাক থেকে যাবে।
:
গোসলের সুন্নতঃ
* তিনবার কুলি করা সুন্নাত।
* তিনবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছিয়ে পরিষ্কার করা সুন্নাত।
* সমস্ত শরীরে তিনবার পানি ঢেলে ভাল করে ঘষে পরিষ্কার করা সুন্নাত।
গোসলের আরও সুন্নাত
* গোসলের নিয়ত করা।
* গোসলের শুরুতে দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত ধোয়া।
* পেশাব পায়খানার রাস্তা পরিষ্কার করা।
* শরীরের কোন স্থানে নাপাকী থাকলে তা ধোয়া।
* অজু করা।
* পানি জমে থাকে এমন স্থানে গোসল করলে, গোসলের পর সেই স্থান থেকে সরে গিয়ে পা ধোয়া।
.
.
#প্রশ্ন-১ :- আমি ফরজ গোছলে প্রথমে নিয়ত করি, অতপর আমি ৩ বার কুলি করি, ৩ বার নাকে পানি তেই, সমস্ত শরীর ধৌত করি, কিন্তু উপরে লেখা অনুযায়ী এটিত সুন্নতের পর্যায়ে পরে, তবে কি আমার ফরজ গোছল হয় না?
.
.
#প্রশ্ন-২ :- আমি ফরজ গোছলে যদি প্রথমে সারা শরীর সাবান এবং পানি দিয়ে ধৌত করি মানে সমস্ত শরীরে পানি দ্বারা গোছল করি, অতপর ফরজ গোছলের নিয়ত করে ও ফরজ গোছলের কাজ সম্পন্ন করি তবে কি আমার ফরজ গোছল হবে? নাকি প্রথমেই নিয়ত করে ফরজের কাজ সম্পন্ন করে গোছল করতে হবে?
2785 views
2 Answers
বিশাল প্রশ্ন। এত জটিল না করলেও পারেন। বিষয়টি একদমই সহজ। তিনবার কুলি/নাকে পানি দেয়া কোন শর্ত নয়।
কুলি করুন এমন ভাবে যেন গলাও ভিজে। যদি সন্দেহ থাকে তবে পানি পান করে নিতে পারেন।
নাকে পানি দেয়াটাই যথেষ্ট নয়। নাকে ময়লা থাকলে তা সরিয়েও সেখানে পানি দিতে হবে। নাক দিয়ে পানি ভিতরে টেনে নিন। তবেই নরম হাঁড় পর্যন্ত পানি পৌঁছে যাবে।
পুরো শরীরে পানি দিন। সাবান বিষয়টি একান্তই আপনার ইচ্ছাধীন। না দিলেও গোসল হয়ে যাবে।
বালতি দিয়ে গোসল করলে গা থেকে ছিটা বালতিতে গেলে সে পানি দিয়ে গোসল হবে না।
বিস্তারিত জানতে দেখুন এখানে- গোসলের পদ্ধতি
2785 views
Answered
গোছলের ফরজ তিনটি,, ১ ভালো ভাবে কুলি করা,,,২ নাকে পানি দেওয়া ৩ সমস্ত শরীর ভালভাবে ধৌত করা
2785 views
Answered