আসসালামু আলাইকুম । আমি নামাজে রাফুল ইয়াদাইন করে নামাজ পড়ি । কিন্তু আমাদের মসজিদের সবাই হানাফি , তাই রাফুল ইয়াদাইন করলে কেউ দেখতে পারে না আমাকে , নামাজ শেষ করলে সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে । এই কারনে নামাজ পড়তে পড়তে হই ভয়ে ভয়ে । আমি youtube এ দেখেছি এইটা না করলে নাকি গুনাহ হবার সম্ভাবনা আছে , কারন যেনে শুনে ইচ্ছা করে সুন্নত ত্যাগ করলে নাকি গুনাহ হয় । প্রশ্ন ঃ এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে আমার যেহেতু এরকম সমস্যা হয় তাই আমি যদি মাঝে মাঝে ত্যাগ করি তাহলে কি গুনাহ হবে ? এবং আমার নিয়ত যেহেতু মানুষ আমাকে কিছু না বলে  এই কারনে করছি না , এই নিয়তের কারণেও কি গুনাহ হবে ।
3114 views

4 Answers

এখানে ২ টা ব্যপার আছে । এটা ফরজ না । তাই গুনাহ হবে না । তবে করা উত্তম । আর অরেকটা কথা হচ্ছে, আপনি কেন এই কাজটা ছাড়বেন ? এটা সিহাহ সিত্তাহর শ্রেষ্ঠ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত । তাছাড়া ইমাম বুখারি এই ব্যপারে আলাদা বইও লিখেছেন । কিছু মানুষের ভয়ে বা লজ্জায় (!) কেন একটা উত্তম কাজ ত্যাগ করবেন ? তাই রাফউল ইয়াদাঈন করাই উত্তম ।

3114 views

না। নামাজে হাত না উঠালে কোনো গুনাহ হবেনা তথ্যসূত্রঃ-(তরিকূল ইসলাম ২য় খন্ড,পৃষ্ঠা ৩৫১)

3114 views

আপনার জন্য রাফ‌উল ইয়াদাইন ত্যাগ করাই উত্তম কারণ এখানে ফেতনার আশংকা আছে।

3114 views

মুসলমান হিসেবে অবশ্যই আমাদের রাসুলের (সাঃ) হাদিসের ওপর আমল করা উচিত। যেহেতু রাফউল ইয়াদাইন করা ও না করা সম্পর্কে উভয় ধরনের আমল রাসুল (সাঃ) থেকে পাওয়া যায়, তাই সবার উচিত উভয় ধরনের আমলই করা। কিন্ত আমরা তা না করে কেন দ্বন্দ্বে লিপ্ত হই? এর অবশ্য-ই কোন-না কোন কারন রয়েছেঃ হাদিসে এসেছেঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম বার ব্যতীত নামাযে আর কোথাও রাফউল ইয়াদাইন করেন নি। আলকামা (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের 'নিয়মে' নামায আদায় করে দেখাব না? তিনি 'আবদুল্লাহ' নামায আদায় করলেন, কিন্তু প্রথম বার 'তাকবীরে তাহরীমার সময়' ছাড়া আর কোথাও রফউল ইয়াদাইন করেননি। (সূনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ২৫৭ হাদিসের মানঃ সহিহ।) তাই আমরা হানাফিরা নির্দিধায় বলতে পারি নামাযে রাফউল ইয়াদাইন না করলে কোন গুনাহ হবে না।

3114 views

Related Questions