5 Answers
যদি বেশি জায়গায় দাউদ হয়ে থাকে, আকারে বড় হয়ে থাকে, তবে খাবার ওষুধ ও লাগানোর ওষুধ দুটো একটু দীর্ঘস্থায়ী করতে হবে।
আবার ক্যানডিডাও তাই। যদি বেশি জায়গায় বড় হয়ে থাকে, তবে এরকমভাবে চিকিৎসা করতে হয়। অনেক সময় এতে আবার ব্যাকটরিয়াল ইনফেকশনও হয়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে প্রথমে একটি অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে একে ঠিক করে ছত্রাকবিরোধী বা ফাঙ্গাসের ওষুধ দিতে হয়।
আরেকটি কথা। নখেও কিন্তু অনেক সময় ফাঙ্গাস হয়ে থাকে। যারা পানি বেশি ব্যবহার করে তাদের হয়ে থাকে। এটি হলে কিন্তু খুব লম্বা ওষুধ দিতে হয়। ছয় মাস, এক বছর ওষুধ খেতে হয়, লাগাতে হয়। তবে যাই হোক না কেন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এই জাতীয় সমস্যাগুলোতে অপচিকিৎসকের কাছে গিয়ে আরো খারাপ করে নিয়ে আসতে পারে। শুরুতেই যদি চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করে তাহলে খুব অল্প খরচে, অল্প দিনে ভালো হয়ে যায়। দেরি করলে খরচ বেড়ে যায়, সময় বেড়ে যায়। আর কিছু উপদেশ জেনে আসতে হয়।
উপদেশের ভিতরে কাপড়ের বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুতি এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। পানি কম ধরতে হবে। শরীরে যেন আলো বাতাস লাগে এভাবে চলতে হবে। ঠান্ডায় থাকতে হবে। তাহলেই এগুলো কম হবে।
১. দাদ ভালো হওয়ার জন্য বিভিন্ন মলম আছে তা ব্যাবহার করতে পারেন | আর হোমিও ডাক্তারের পরার্মশ অনুযায়ী “Natrum sulphuricum অথবা Sepia” ২টা ঔধুধের যে কোন ১টার ২০০ শক্তি সেব্য | ২. দাদ এর জন্য সবচেয়ে উপকারী ঔষধ হলো “কেনাজল” আমি এটি আরো ৭বছর আগে ব্যবহার করার পর থেকে এখনো আমার মাঝে কোনো প্রকার দাদ দেখা দেয়নি ৷ আপনারও এটি ১০০% কাজে আসবে ৷
Flugal Capsule টা খাবেন সপ্তাহে ১টা করে,৭ সপ্তাহ পুরোপুরি ঠিক হয়ে যাবে। একটা খাউয়ার পরদিনই ফল পাবেন ইংশাআল্লাহ ।