user-avatar

rjrahman

◯ rjrahman

হ্যাঁ,মানুষকে বাঘের বাচ্চা বললে খুব খুশি হয়।।কিন্তু জন্তু বলে গালি দিলে রেগে ওঠে।এর কারন হচ্ছে বাঘ তো অনেক সাহসী, আর যখন কাউকে বাঘের বাচ্চা বলা হয়,তখন এই কথাটি ব্যাকরণের ভাষায় উপামা হিসেবে ধরা হয়।।বাঘের বাচ্চা তখন তাকে শব্দের উপামা হিসেবে ধরা হয়।।

কেন এমন হয়,,,?

rjrahman
Jul 9, 05:19 PM
এই সমস্যা করতে পারে হয়তো ব্যাটারি নষ্ট হলে, এতে আপনি ব্যাটারি পরিবর্তন করে দেখতে পারেন।। ব্যাটারি পরিবর্তন এর পর যদি সমাধান না হয় তাহলে আপনার মোবাইলে  সার্কিটে প্রব্লেম আছে।। আপনি ভালো মেকানিক দেখাতে পারেন।।
এলজি  k 10 এ ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সর নেই।।
ফিটকারির কিছু উপকারিতা হলোঃ- ১) মুখের ভেতরে কোনও ঘা হলে, সেখানে ফিটকিরি লাগান। জ্বালা করতে পারে, কিন্তু তাড়াতাড়ি ঘা শুকাবে। তবে লালা গিলে ফেলবেন না। আর শিশুদের থেকে দূরে রাখবেন ফিটকিরি।। ২) ব্যাকটেরিয়ার ফলে মুখে গন্ধ হয়। ফিটকিরি ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সক্ষম। এক গ্লাস জল ফোটান। তার মধ্যে এক চিমটি লবণ দিয়ে মেশান। এবারে ফিটকিরির গুঁড়া মেশান। মিশ্রণ ঠান্ডা হলে, তা দিয়ে কুলকুচি করুন।।। ৩) শিশুদের মাথায় প্রায়ই উকুন ও উকুনের ডিম হয়। জলে ফিটকিরি গুঁড়া মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল (টি ট্রি অয়েল) মেশান। এবারে ১০ মিনিট ধরে মাসাজ করুন স্ক্যাল্পে। এর পরে শ্যাম্পু করে নিন।।। ৪) মুখে ব্রণ হলে ফিটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু'চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়ো দিয়ে প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।।। ৫) দাড়ি কামানোর পরে বা কেটে গেলে ফিটকিরি লাগিয়ে ঠান্ডা জলয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৬) বয়সের ছাপ পড়লে এক টুকরো ফিটকিরি জলে ভিজিয়ে তা মুখে ঘষুন। তার পরে ঠান্ডা জলয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ৭) ডিওডোর‌্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ফিটকিরির গুঁড়োর সঙ্গে গন্ধরস মেশান। গন্ধরস বা মস্তকি এক ধরনের গাছের আঠা বিশেষ। ৮) পায়ে শিরায় টান পড়লে ফিটকারির গুঁড়ো, হলুদ এবং জল দিয়ে একটি পেস্ট বানান। ব্যথা হলে সেখানে লাগান।।
পৃথিবীর সবচেয়ে ধনি ব্যাক্তির নাম জেফ বেজোস।।। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, জেফ বেজোসের সম্পদের মূল্য ১১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।।।তিনি আমেরিকায় বসবাস করেন।।

ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয় কলকাতাকে।।

মুভিটির লিংক এখানে আছে।।

"to sum up" এর অর্থ হচ্ছে জমা করার জন্য।।।

অ্যাপ্রক্সিমেট লোকেশন অর্থ হচ্ছে আনুমানিক অবস্থান।।


স্যাট্রা ট্যাবলেট ডিপ্রেশন, ইমোশনাল ,মানসিক ব্যাধি এবং অন্যান্য অবস্থার জন্য ব্যবহার করা হয়।এছাড়া প্রিমেস্টেরিয়াল ডিস্ফোরিক ডিজঅর্ডার (ঋতুস্রাবের পূর্বে বিষণ্নতা ও উদ্বেগপ্রবণতার অনুভূতি) চিকিৎসা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।।

সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র: দক্ষিন সুদান, আফ্রিকা (৯ জুলাই ২০১১।।


তথ্যসূত্রঃএখানে
গলাচিপার থানার বর্তমান এমপি আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন।।

কুরআানে লুত (আ:) এর নাম ২৭ বার বলা হয়েছে ।।।

তথ্যসূূত্রঃএখানে
সেন্ট্রোমিয়ার-এর অপর নাম হল, কাইনেটোকোর।।।

পবিত্র কুরআনে 'আইয়াম' শব্দটি ৩০ বার উল্লেখ্য আছে।।

তথ্যসূত্রঃএখানে
বীরঙ্গনা কাব্য গ্রন্থটি লেখেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।।।
কুরআনে আদেশ মূলক আয়াত রয়েছ ১০০০ টি।।
তথ্যসূত্রঃএখানে
সর্বপ্রথম কুরআনের আয়াত গণনা করেন উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রাঃ) ।।।।
তথ্যসূত্রঃএখানে
বাংলা লিপির উৎস হচ্ছে ব্রাক্ষী লিপি।।
ভারতের বতর্মান কৃষিমন্ত্রীর নাম Radha Mohan Singh (রাধা মোহন সিং)
পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম শাফায়েত আজিজ রাজু।।

ভেসিকল কি?

rjrahman
Feb 9, 09:09 AM
ভেসিকেল হচ্ছে গলজি বস্তুর সিসটার্নির নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র থলির মতো বস্তগুলোকে ভেসিকল বলে।।
বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের মাধ্যমে তৈরি। এই কোষগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর মারা যায়। এই পুরনো কোষগুলোর জায়গায় নতুন কোষ এসে জায়গা করে নেয়। সাধারনভাবে কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং নিয়মমতো বিভাজিত হয়ে নতুন কোষের জন্ম দেয়। সাধারনভাবে বলতে গেলে যখন এই কোষগুলো কোনও কারণে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তখনই ত্বকের নিচে মাংসের দলা অথবা চাকা দেখা যায়। একেই টিউমার বলে। এই টিউমার বিনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট হতে পারে। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকেই ক্যান্সার বলে। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজনক্ষম হয়ে বৃদ্ধি পাওয়া কলাকে নিওপ্লাসিয়া (টিউমার) বলে, এবং সেরকম ক্রিয়া যুক্ত কোষকে নিওপ্লাস্টিক কোষ বলে। নিওপ্লাস্টিক কোষ আশেপাশের কলাকে ভেদ করতে না পারলে তাকে বলে নিরীহ বা বিনাইন টিউমার। বিনাইন টিউমর ক্যান্সার নয়। নিওপ্লাসিয়া কলা ভেদক ক্ষমতা সম্পন্ন হলে তাকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সার, এবং তার অনিয়ন্ত্রিত বিভাজনক্ষম ভেদক ক্ষমতাযুক্ত কোষগুলিকে ক্যান্সার কোষ বলে। অনেক ক্যান্সার প্রথমে বিনাইন টিউমার হিসাবে শুরু হয়, পরে তার মধ্যেকার কিছু কোষ পরিবর্তিত (ট্রান্সফর্মেসন) হয়ে ম্যালিগন্যান্ট (অর্থাৎ ভেদক ক্ষমতাযুক্ত) হয়ে যায়। তবে বিনাইন টিউমার ক্যান্সারে পরিবর্তিত হবেই তার কোন স্থিরতা নেই। কিছু বিনাইন টিউমার সদৃশ ব্যাধি আছে যাতে ক্যান্সার হওয়া অবশ্যম্ভাবী - এদের প্রি-ক্যান্সার বলে। নামে বিনাইন অর্থাৎ নিরীহ হলেও বিনাইন টিউমারও চাপ দিয়ে আশেপাশের কলার ক্ষতি করতে পারে। মেটাস্ট্যাসিস হলো ক্যান্সারের একটি পর্যায়, যাতে ক্যান্সার কোষগুলি অন্যান্য কলাকে ভেদ করে ও রক্ত, লসিকাতন্ত্র (Lymphatic System) ইত্যাদির মাধ্যমে দূরবর্তী কলায় ছড়িয়ে যায়।


আরো জানতেঃএখানে
ঢাকা জেলা ৬টি থানা নিয়ে গঠিত। এগুলো হলোঃ
১। কোতোয়ালি উপজেলা, ঢাকা, 
২।কেরানীগঞ্জ উপজেলা, 
৩।দোহার উপজেলা, 
৪।ধামরাই উপজেলা, 
৫।নবাবগঞ্জ উপজেলা এবং 
৬।সাভার উপজেলা।
তথ্যসূত্রঃএখানে
লালমনিরহাট জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে; এগুলো হলোঃ 

১।আদিতমারী

 ২।কালীগঞ্জা 

৩।পটগ্রাম 

 ৪।লালমনিরহাট সদর এবং

 ৫।হাতীবান্ধা।।।।

তথ্যসূত্রঃএখানে
হ্যাপ্লয়েডঃ হ্যাপ্লয়েড বলতে বোঝায় ডিপ্লয়েড ও পলিপ্লয়েড জীবের দেহকোষে প্রাপ্ত মোট ক্রোমজোমের অর্ধেক সংখ্যক অনন্য (unique) ক্রোমোজোম বিশিষ্ট। এটি “n” দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
 জীবের পুরুষ বা স্ত্রী জননকোষ হ্যাপ্লয়েড হয়ে থাকে। এছাড়াও সকল ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া পর্বের অধিকাংশ প্রাণীদের জীবনের অধিকাংশ সময়কাল জুড়েই হ্যাপ্লয়েড অবস্থা দেখতে পাওয়া যায়। অনিষিক্ত ডিম থেকে পুরুষ মৌমাছি ও পিপড়া জন্মায় বিধায় এরাও হ্যপ্লয়েড হয়ে থাকে।।। 

ডিপ্লয়েডঃ ডিপ্লয়েড বলতে বোঝায় দুই সেট (set) ক্রোমোজোম বিশিষ্ট। অর্থাৎ মূল বা হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক ক্রোমোজোমের দুই সেট উপস্থিত এমন। এটি “2n” দ্বারা প্রকাশ করা হয়। একটি কোষের নিউক্লিয়াস দুই সেট ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হলে তাকে ডিপ্লয়েড কোষ বলে। একই ভাবে কোন জীবের অধিকাংশ কোষের নিউক্লিয়াস দুই সেট ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হলে তাকে হ্যাপ্লয়েড জীব বলা হয়।
 মাছ, মানুষ ইত্যাদির মত অধিকাংশ সুকেন্দ্রিক কোষবিশিষ্ট প্রাণীই (eukaryotic) ডিপ্লয়েড ধরণের অর্থাৎ এদের অধিকাংশ কোষের নিউক্লিয়াসে দুই সেট ক্রোমোজোম উপস্থিত যার একসেট বাবার কাছ থেকে এবং অপর সেট মায়ের কাছ পেয়ে থাকে। যেমন রুই মাছের দেহ কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা ডিপ্লয়েড অর্থাৎ 2n = ২×২৫=৫০টি (দুই সেট, প্রতি সেটে ২৫টি), অতএব এর জনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্যাপ্লয়েড অর্থাৎ এক সেট তথা ২৫টি।।। 

জাইগোটঃ নিষিক্ত ডিম্বাণুকে জাইগোট বলে। অর্থাৎ শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের ফলে সৃষ্ট জীবের প্রথম কোষই হলো জাইগোট। 
স্ত্রী জননকোষ (ডিম্বাণু) ও পুরুষ জননকোষের (শুক্রাণু) মিলনের ফলে উৎপন্ন কোষকে জাইগোট (Zygote) বলে। এটি জাইগোসাইট (Zygocyte) নামেও পরিচিত। জাইগোটে ডিপ্লয়েড সংখ্যক ক্রোমোজোম (Chromosome) থাকে যার এক সেট (Set) আসে হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট ডিম্বাণু থেকে এবং অন্য সেটটি আসে ও হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট শুক্রাণু থেকে।
 অন্যকথায় বলা যায়, জাইগোট হচ্ছে নিষিক্ত ডিম্বাণু যার ক্লিভেজ (Cleavage) প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। ক্লিভেজ প্রক্রিয়া শুরু হবার পর নিষিক্ত ডিম্বাণু তথা জাইগোটকে বলে ভ্রূণ।।।
Mini Militia গেমটা তৈরি করেছেন দেবায়ন কুমার দাস।।।
কুমিল্লা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৯০ সালে।।
তথ্যসূত্রঃএখানে
ইংরেজি ডিকশনারি প্রথম লেখেন স্যামুয়েল জনসন।।