জানি না গুনাহ হবে কী না?
জানি না গুনাহ হবে কিনা কিন্ত কিছু করার থাকে না আমার
আমার রবি,মঙ্গল,বৃহস্পতি বার দুফুর ১.১৫ তে পড়া থাকে
তাই আমি ১২.১০-১২.৩০ এর মধ্যে নামায পড়ে নিয়
আবার শনি,সোম,বুধ বারে বিকেল ৪.০০ টাই পড়া আছে
তাই আমি ৩.২০-৩.৩০ এর মধ্যে নামায পড়ে নিয়।
আমি জানি না আমার নামায ঠিক টাইমে হয় কিনা
কিন্ত এটা জানি আযান দেওয়ার আগে নামায পড়ে ফেলি আমি
কিন্ত ইচ্ছে করে না পরিস্থিতির শিকার হয়ে পড়তে হয়।
এতে কী আমার পাপ হবে।?????
মাঝে মাঝে নামায এ বসে শুরু থেকে চোখের পানি পড়তে থাকে
আমার আবার মাঝে মাঝে শব্দ করে কেদে ফেলি
আমি জানি নামাযের মধে শব্দ করা উচিত না কিন্ত কষ্টে হয়ে যায়।
এতে কী গুনাহ হবে.............?????
আবার আমি প্রতিদিন যোহর এর নামায পড়ার সময় নফল নামায
বাদ দিয়
মাঝে মাঝে মাগরিব এর নফল নামায ও বাদ দিয় এতে কী গুনাহ
হবে........?????
1 Answers
আপনি একাধিক প্রশ্ন করেছেন, তাই ধারাবাহিকভাবে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি। ♠♠ ১) আযান হলে, ওয়াক্ত আরম্ভ হয়। এই ধারণা ঠিক নয়।কেননা, আযান দেওয়া হয়, মানুষকে নামাযের জন্য আহবান করা জন্য। তাই, ওয়াক্ত আযান দেওয়ার বহু আগে, শুরু হয়ে থাকে। যেমন: বর্তমানে যোহরের ওয়াক্ত শুরু হয় (সিলেট) ১১:৩৯ মিনিটে। তাই, আপনি যদি ১১:৩৯ এর পর যেকোনো সময়, যোহরের নামায পড়েন। তাহলে, নামায আদায় হয়ে যাবে। কেননা, নামায ওয়াক্তমত আদায় করতে হয়। এতে, কোনো গুনাহ হবে না। ♠♠ ২) বর্তমানে আছরের ওয়াক্ত শুরু হয়, হানাফি মাযহাব অনুযায়ী ৩:৫১ মিনিটে। তাই, আপনি যদি আর আগে আছরের নামায পড়েন। তাহলে হবে না। কেননা, ওয়াক্ত আসে নি। আর ওয়াক্ত এর আগে কোনো নামায আদায় হবে না। তা, পূণরায় ওয়াক্তের সময় পড়তে হবে। ♠♠৩) নামাযে আল্লাহর গজবে বিনা আওয়াজে কাদা জায়েজ আছে। উচ্চস্বরে কাদলে, নামায ফাসিদ (ভঙ্গ) হয়ে যাবে। ♠♠ ৪) নফল নামায নফলই( বোনাস)। আর, সহজে বলি, এটা আপনার ইচ্ছাধীন পড়লে, সওয়াব আছে। না পড়লে, কোনো ক্ষতি নেই।