প্রশ্ন : বিস্তারিত পড়ে উত্তর দিবেন আমি আমার অফিসের আপুকে বলি তারপর,,,?
4 Answers
আপনি তাকে ক্ষমা করে দিয়ে আবার তার সাথে কথা বলা শুরু করুন । চপে পড়ে মানুষ সাধারনত এরকম করে থাকে। যেহেতু সে চাপের মধ্যে এরকম করে ফেলেছে। তাই তাকে ক্ষমা করে দেন।
ভাই কথা কেন বলবেন না? বলবেন সেটা সমস্যা নয়। ভাই চাপে আমরা সবাই পড়ি কিন্তু কয়জন বুঝে চাপে পড়লে কেমন লাগে। তার অবস্থায় আপনি তো আর নেই তাই না? তার মনের কথা আপনি বুঝবেন কেমন করে? তার চাপ আপনি বুঝবেন কেমন করে? তাই আমার মনেহয় কোন কিছু না জেনেশুনে পদক্ষেপ নিয়ে ভালো করেন নি।
সমাজে/পার্শের কেউ ভুল করলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই আমাদের সবার উচিৎ। মানুষ মাত্রই ভুল হয়। এমন কোন ব্যক্তি পাবেন না যে ভুল করেন নি। ভুল করেছে বলে তাকে এতবড় শাস্তি দেবেন কেন? সে আপনার সাথে কথা বলতে চাইছে। আপনি বলছেন না। এটা মোটেও ভালো কথা নয়। কথাবার্তা বলতে সবার মাঝে একটি ভালো সম্পর্ক থাকে আপনি সেই সম্পর্ক রাখতে চাইছেন না কেন?
রাখলে আপনার ক্ষতি নেই। আবার না রাখলে বিপদে পড়বেন। এমনটাও হতে পারে তার সাহায্য আপনার লাগল তখন কি করবেন। সম্পর্ক ভালো থাকলেই ভালো সহজেই কথা বলে সাহায্য পাবেন। না থাকলে আপনার মধ্যে একটা অস্বস্তি কাজ করবে।
সে যত বড় অপরাধ করুক না কেন তার সাথে কথা না বলে থাকাটা অনুচিত বলে মনে করি।
যেহেতু, কথা বলা না বলা একান্তই আপনার ব্যাপার। তবে তাকে একটা সুযোগ দেওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।
অনেক সময় লোকদের চাপে পড়ে বিভিন্ন কথা বলতে হয়। এগুলো স্বাভাবিক জিনিস। আপনি তার সাথে কথা বলতে পারেন। অনেক সময় মানুষের চাপে নিজেকে বাঁচানোর জন্যে বলতে হয়। সে চাপে পড়ে একথা বলেছে। আপনার উচিত তাকে ক্ষমা করা। ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। আমাদের পরিচিত লোক কোন ভুল করলে আমাদের তাকে ক্ষমা করা উচিত এবং মানুষ মাত্রই ভুল। সবাই কোন না কোন সময় ভুল করে। আপনি তার অবস্থায় নিয়ে তাকে চিন্তা করুন। আপনি এসময়ে কী করতেন। আপনার সামান্য ভুলের জন্যে এরকম করা উচিত হয়নি। সে আপনার সাথে কথা বুলতে চাইচে। সুতরাং, সে আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্চুক। সমাজের সবার সাথে আমাদের মিলেমিশে থাকা উচিত। সে কখনো আপনায় সাহায্য করতে পারে। যদি কোন সমস্যায় পড়েন তবে সে সহায়তা করবে যদি সসম্পর্ক বজায় না থাকে তাহলে আপনাকে সে সাহায্য না করতে পারে। যেহেতু সে আপনার অফিসে কাজ করুন তাহলে তার সাথে আপনার বিভিন্ন সময় প্রয়োজন, তাই তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা উচিত।
আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা মহত্ত্বের লক্ষণ, একজন মুসলমান হিসাবে অন্য মুসলমানকে ক্ষমা করা ঈমানি দায়িত্ব । সামাজিক ভাবে ও পরস্পর বিরোধী থাকলে মনের মাঝে ও সান্তি লাগে না এবং অনেক কাজে বিঘ্নতা ঘটে। সে হয়ত ভুল করেছে এবং ক্ষমা ও চেয়েছে তাই আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন। আগের মত ফ্রি হয়ে যান দেখবেন অনেক ভালো লাগবে। সবসময় প্রয়োজনীয় কথা বলুন ফ্রি থাকার চেষ্টা করুন। আমি মনে করি আপনার উচিত তারসাথে কথা বলা।