ফরজ গোসল সম্বন্ধে সংশয়?
2 Answers
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে লক্ষ্য করে এরশাদ করেন, ‘হে আবু হুরায়রা! তুমি যখন অজু করবে, বিসমিল্লাহ বলবে। তাহলে ফেরেশতাগণ তোমার অজু শেষ না হওয়া পর্যন্ত তোমার জন্য পুণ্য লিখতে থাকবে। তুমি যখন স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করবে, তখন বিসমিল্লাহ বলবে। তাহলে যতক্ষণ না তুমি গোসল শেষ করবে, ততক্ষণ ফেরেশতাগণ তোমার জন্য পুণ্য লিখতে থাকবে। সেই সহবাসে যদি তোমার কোনো সন্তান লাভ হয়, তবে সেই সন্তানের নিঃশ্বাস এবং তার যদি বংশধারা চালু থাকে, তবে যতকাল তা চালু থাকবে, ততকাল পর্যন্ত তাদের সবার নিঃশ্বাসের সংখ্যা পরিমাণ পুণ্য তোমার আমলনামায় লেখা হতে থাকবে। হে আবু হুরায়রা! তুমি যখন পশুর পিঠে চড়বে, তখন বিসমিল্লাহ বলবে। তাহলে তার প্রতি কদমে তোমার জন্য পুণ্য লেখা হবে। আর যখন নৌকায় চড়বে, তখনো বিসমিল্লাহ বলবে। তাহলে যতক্ষণ না তুমি তা থেকে নামবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমার জন্য পুণ্য লেখা হতে থাকবে।(আল হাদিস) বিসমিল্লাহ যেকোনো ভালো কাজ করার আগে বলা যাবে। গোসলের ফরজ সমুহঃ মুখ ভর্তি পানি নিয়ে (গরগরার সাথে) কুলি করা, নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছানো , সমগ্র শরীর ভাল ভাবে ধৌত করা যাতে কোথাও পানি লাগা বাদ না থাকে । যদি উপরোক্ত নিয়মানুযায়ী আপনার গোসল হয়ে থাকে তবে গোসল হবে।
একটা জরুরি বিষয় ফরজ গসোলের সময় কানের ভাজে নাভির ভিতর আর গুয্যদ্বারে পানি পৌছাতে হবে।