১. কখন ঘুমানো উচিৎ নয় আর কখন ঘুমাতে হয় ২.কখন পাড়াশোনা করা উচিত নয় কখন পড়াশোনা করলে ভাল হয়?
4 Answers
ইসলামের নিয়মে আপনি নামায-কালাম ঠিক রেখে যেকোনো সময় পড়তে পারেন আর সাধারণ ভাবে আমরা যেভাবে রাতে ঘুমাই আপনার ও রাতে ঘুমানো উচিত তবে বিকালে অল্প ঘুমানো ভালো বিশ্রাস স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো বিজ্ঞানিকরা বলেন সকাল বেলা পড়া ভালো এতে পড়া বেশী মনে থাকে এখানে ধর্মে ও কোনো বাধা নেই
আপনার যতক্ষণ যে সময় পড়ার আগ্রহ থাকবে ততক্ষণ সে সময় পড়বেন।আর চোখে ঘুম আসলে দেরি না করে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাবেন।অতিরিক্ত ঘুমাবেন না।আর সময়টা নির্ভর করবে আপনার অভ্যাসের ওপর।
ছাত্র জিবনের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে, পড়ালেখা করা আর পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হলে, সঠিক সময়ে ঘুম ও রুটিন অনুযায়ী চলতে হয়। আমরা মুসলিম হিসেবে দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ি। এর মধ্যে ফজর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, ফজরের নামাজ পড়ার মাধ্যমে যেমনি আমার দায়িত্ব পালন হলো, তেমনি আমার অনেক সময় বাচলো নতুবা আমরা অনেক সময় সকালে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেই এছাড়া, সকালের আবহাওয়াটাও শরীরের জন্য অনেক উপকারী। যাইহোক, মূল কথায় আসি। →→আমরা যত দূর সম্ভব তাড়াতাড়ি (রাত ১০.০০টা থেকে ১০.৩০) ঘুমিয়ে পড়বো। কেননা, হাদিছে তাড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। এরপর, ভোরে উঠবো, যাতে ফজরের নামায পড়তে পারি। এছাড়া, দুপুরে সময় পেলে ঘুমাবো। →→সন্ধ্যা তথা মাগরিবের নামায পড়ে পড়তে বসবো। এবং মধ্যখানে এশার নামায পড়ে আবার পড়তে বসবো, রাতের খাবারের পূর্ব পর্যন্ত। এরপর, সকালে ফজরের পর, কুরআন তেলাওয়াত করে, পড়তে বসবো এবং ৯ টা পর্যন্ত পড়তে থাকবো। উক্ত নিয়মের বাহিরে চলা অনুচিত। আল্লাহ তায়ালা আমরা ছাত্র/ছাত্রি সবাইকে এভাবে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।
পড়ালেখার ক্ষেত্রে ,সালাতের সময় ব্যতিত সর্বদা পড়ালেখা করতে পারেন।আর ঘুম নূন্যতম রাতে ৮ ঘন্টা ঘুমাবেন।তবে সালাতের সময় অবশ্যই নয়।