6 Answers
হুম হবে কিন্ত নামাযে জেনো ভুল না হয়। আমি নিজেও মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে নামায আদায় করি।
নামাজ হবে, তবে আপনি যদি কোন প্রবলেম ছাড়া চোখ বন্ধ করে নামাজ পড়েন, তাহলে নামাজ মাকরু হবে।
এটা হল হুর আছে কিন্তু চোখ নাই।এমন।এটা মাকরুহ এর কাজ।
সুত্র:- মুসলমানের হাসি।( অনুবাদ :-আল্লামা নোমান রাজি
লেখক:- আল্লামা আশরাফ আলি থানবি রহ.)
★নামাজে চোখ বন্ধ করা নবীজি ﷺ এর সুন্নাতে
নেই; বরং তিনি যখন নামাজে দাঁড়াতেন, আল্লাহর সামনে গভীর বিনয়ে মাথা নিচু রাখতেন আর দৃষ্টি সিজদার স্থানে রাখতেন।
→ইবনুল কাইয়িম রহ. বলেন, যখন কেউ তার ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে দেখা করে, তখন তার ভালোবাসার একটি
বহিঃপ্রকাশ হল, সে লজ্জা আর শ্রদ্ধায় মাথা নিচু রাখে এবং আমাদেরও ঠিক এই রকম হতে হবে। রাসূল ﷺ বলেন,
ﻓﺈﺫﺍ ﺻﻠﻴﺘﻢ ﻓﻼ ﺗﻠﺘﻔﺘﻮﺍ ﻓﺈﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﻨﺼﺐ ﻭﺟﻬﻪ
ﻟﻮﺟﻪ ﻋﺒﺪﻩ ﻓﻲ ﺻﻼﺗﻪ ﻣﺎ ﻟﻢ ﻳﻠﺘﻔﺖ
অর্থাৎ :- যখন কেউ নামাজে দাঁড়াবে, সে যেন এদিক সেদিক
না তাকায়, কারণ আল্লাহ তখন তার দিকে দৃষ্টি দিয়ে
রাখেন যতক্ষণ না সে এদিক সেদিক তাকায়। (তিরমিযি)
★★বাদায়ে’গ্রন্থে এসেছে,
ﻭَﻳُﻜْﺮﻩُ ﺃَﻥْ ﻳُﻐْﻤِﺾَ ﻋَﻴْﻨَﻴْﻪِ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﻠَﺎﺓِ؛ ﻟِﻤَﺎ ﺭُﻭِﻱَ
ﻋَﻦْ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ – ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ – ﺃَﻧَّﻪُ
ﻧَﻬَﻰ ﻋَﻦْ ﺗَﻐْﻤِﻴﺾِ ﺍﻟْﻌَﻴْﻦِ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﻠَﺎﺓِ؛ ﻭَﻟِﺄَﻥَّ
ﺍﻟﺴُّﻨَّﺔَ ﺃَﻥْ ﻳَﺮْﻣِﻲَ ﺑِﺒَﺼَﺮِﻩِ ﺇﻟَﻰ ﻣَﻮْﺿِﻊِ ﺳُﺠُﻮﺩِﻩِ
ﻭَﻓِﻲ ﺍﻟﺘَّﻐْﻤِﻴﺾِ ﺗَﺮْﻙُ ﻫَﺬِﻩِ ﺍﻟﺴُّﻨَّﺔِ
অর্থাৎ :- চোখ বন্ধ করে নামায পড়া মাকরূহ। কেননা
রাসূল ﷺ চোখ বন্ধ করে নামাজ পড়া থেকে নিষেধ
করেছেন। আর সুন্নাত হল, সেজদার স্থানের দিকে তাকিয়ে নামায পড়া। চোখ বন্ধ রাখলে এই সুন্নাত তরক হয়ে যায়। (বাদায়ে’ ১/২১৬)
★তবে যদি চোখ খোলা রেখে কিছুতেই খুশুখুজু (একাগ্রতা)
না আসে, তাহলে মাঝে মাঝে চোখ একটু বন্ধ করা যাবে।
(রাদদুল মুহতার ১/৬৪৫, আলমুগনী ২/৩০)
সুতরাং, বোঝা গেল, অকারণে অর্থাৎ নামাযে মনোযোগ
সৃষ্টি করা এ উদ্যেশ্য ব্যতীত, কেউ চুখ বন্ধ করে নামায
পড়লে সুন্নত পরিপন্থী হবে তথা মাকরুহ হবে।