আমার বয়স 18.ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ি।আমার স্বাবাভিক জীবন খুবই ভালো চলতো,যদি না একটা জিনিস থাকত,সেটা হলো "হিনমন্নতা" আমি সব কিছুতেই হিনমন্নতায় ভুগি।যেমন-আমার বয়সে বড় বোন আরেকজনের সাথে প্রেম করে,তো আমার কেন খারাপ লাগে মনে মনে,আবার আমার বন্ধু সুন্দর বউ বিয়ে করেছে সেটা তো খারাপ কিছু না,তাও আমার হিনমন্নতা হয়।আমার এক দুরসম্পর্কের ফুফু তার কোটিপতি ছেলের সাথে বিয়ে হয়ছে,সেটা তো আমার জন্যই ভালো,কিন্তু না সেখানেও হিনমন্নতা,,,আমার খালাতো বোন তার কলেজ ফ্রেন্ড(ছেলে) এর সাথে ফোনে কথা বলে,তাও হিনমন্নতায় ভুগি।।।।কিন্তু কেন আমার এমন হয়,আমি এটা ত্যাগ করতে চাই,আমিও চাই সবার খুশিতে আমিও খুশি হবো...দয়া করে একটা উপায় বলে দিন,যেটা মেনে চললে আমার এই অভ্যাস টা দূর হবে।

2994 views

3 Answers

এটা সাধারণত মাঝে মাঝে হয়।আপনি সবসময় একা একা না থেকে পরিবারের সাথে বা বন্ধুদের সাথে একটু সময় দিবেন।আর আপনি যাহা ভাব বেন সেটা আগে চিন্তা করবেন এটার বাস্তবতা কতটুকু।যদি এর বাস্তবতা থাকে তবে সেটা আপনি করতে পারেন।আরেকটা কথা, আপনার কোনো সমস্যা হলে পরিবারের কোনো সদস্য বা বাবা মা কে জানাবেন।ইনশাল্লাহ! আর হীনমন্নতায় ভুগবেন না।

2994 views

আপনি ব্যাখ্যায় যে কথাগুলো লিখেছেন। পড়ে যা বুঝলাম। আসলে ওগুলো হীনম্মন্যতা নয়, বরং হিংসা। হীনম্মন্যতা হলো নিজেকেই ছোট ভাবা। আর হিংসা হলো অন্যর ভালো দেখতে না পাওয়া। আপনি অন্য ভালোয় যদি খুশি হতে না পারেন। তাহলে কখনো এই সমস্যা থেকে মুক্তিপাবেন না। তবে নিচের উপায় কয়েকটি মেনে চলতে পারেন। যথাঃ ১. যার প্রতি হিংসা হয়, মনে না চাইলেও লোক সমাজে তার প্রশংসা করা। ২. যার যে কারণে হিংসা হয়, সেটা তার জন্য আরও বৃদ্ধি পাক আল্লাহর কাছে এই দুআ করতে থাকা। ৩. মনে না চাইলেও দেখা হলে তাকে সালাম করা, তার প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা দেখানো এবং নম্র ব্যবহার করা। ৪. মাঝে মধ্যে তাদের উপহার দিন। ৫. তাদের খুশিতে খুশি হওয়া। তাদের পাওয়া গুলোকেই নিজের পাওয়ার মতো মনে করা।

2994 views

যখন খুব কাছের মানুষটা এমন করে ধোকা দেয় তখন এরকম একটা ঝাটকা লাগারই কথা।
অন্য মানুষের দেওয়া কষ্ট সহ্য করে নেয়া যায় কিন্তু নিজের এত আপন মানুষের দেওয়া এই কষ্ট সত্যিই সহ্য করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।তাই বলে এতটা ভেঙে পড়লে চলবে।নিজেকে এবং নিজের মনকে শক্ত করতে হবে।যতটা পারেন তাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং কন্ট্রোলে থাকবেন।কখনো একা থাকবেন না কারন একা থাকলে স্বভাবতই  তার সেই কষ্টের স্মৃতিগুলো মনে পড়ে এতে কষ্ট আরো বারবে।আর সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিন এত আপনার সমস্যা হবে এবং মানুষও আপনাকে ভালো চোখে দেখবে না

2994 views

Related Questions