2 Answers
সাদ্দাম ইরাকের ৫ম রাষ্ট্রপতি। তিনি মুসলিম ছিলেন। যে কারনে তিনি পরিচিতঃইরাকের রাষ্ট্রপতি ও বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ ও আধুনিক ইরাক গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন। সাদ্দাম এক দলীয় শাসন কায়েম করেন। এসময়ই সাদ্দাম ইরানের সাথে ৯ বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন (১৯৮০-১৯৮৮)। ইরাক-ইরান যুদ্ধের পরে ১৯৯১ -এ সাদ্দাম উপসাগরীয় যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। সাদ্দাম তার মতে ইরাকের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধের সকল পক্ষকে নির্মুল করার উদ্যোগ নেন। এই বিরুদ্ধ পক্ষে ছিল উপজাতীয় ও ধর্মীয় গোত্র গুলো যারা স্বাধীনতা দাবি করছিল। যেমন, ইরাকি শিয়া মুসলমান, কুর্দি, ইরাকি তুর্কি জনগন। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কতিপয় আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে। তারা এই যুক্তি দেখিয়ে আক্রমণ করে যে, সাদ্দাম ব্যাপক ধ্বংসাত্বক জীবানু অস্ত্র তৈরি করছেন।
সাদ্দাম হোসেন ছিলেন ইরাকের প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রাথমিক অবস্থায় মুসলমান ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বাথ পার্টি গঠন করেন। যে দলের মূলনীতি হল সেক্যুলারিজম এবং অনেক মূলনীতিই সরাসরি ইসলাম বিরোধী। এমনকি তিনি নাকি গডের একটা মূর্তি বানিয়ে সেটাকে সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, আজ থেকে ইরাক থেকে গডকে বিদায় করলাম!! তাই অনেকে সাদ্দাম হোসেনকে নাস্তিক বলেছেন। ইরাকের অধিকাংশ আধুনিকায়ন সাদ্দামের হাতেই হয়েছে। তিনি ছিলেন ইরাকের প্রেসিডেন্ট এবং আমেরিকার ঘোরবিরোধী। এসব কারণেই তিনি এত পরিচিত ও আলোচিত।