আমরা সাধারনত দলিল বলতে বুঝি, কোরানের আয়াত, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজি, ইবনে মাঝাহ, বায়হাকি, আবু দাউদ। কিন্তু এই বইয়ের মধ্য যে দলিল পেশ করা হয়েছে, আল মুহাল্লা, তাহাবী শরিফ, মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, এই গুলো কি ধরনের গ্রন্থ, এই গ্রন্থ গুলো দলিল হিসাবে কতটুকু গ্রহন যোগ্য? এখানে হাদিস, কোরান বাদ দিয়ে এই গ্রন্থ গুলো কেন দলিল হিসাবে পেশ করলেন?
3164 views

1 Answers

তাহাবী শরিফ, মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক... এগুলো হাদিসের গ্রন্থ। হাদিসের কিতাব শুধু বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি ... ইত্যাদিতে সীমাবদ্ধ নয়। বরং হাজারো হাদিসের কিতাব আছে, যেগুলোর নামও আমরা তেমন একটা জানি না। দলিলসহ নামাযের মাসায়েল বইয়ে কুরআন হাদিস বাদ দিয়ে দলিল দেওয়া হয়নি। বরং যেসব বিষয়ে কুরআনের দলিল নেই, সেগুলোতে হাদিসের দ্বারা দলিল দেওয়া হয়েছে। আর যেসব বিষয়ে বুখারি, মুসলিম ইত্যাদি কিতাবে দলিল নেই, সেসব বিষয়ে তাহাবী শরিফ, মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ইত্যাদি হাদিসের কিতাব থেকে দলিল দেওয়া হয়েছে। আর এগুলো হাদিসের কিতাব, তাই অবশ্যই গ্রহণযোগ্য।

3164 views

Related Questions

ভাই দলিল চাই?
1 Answers 2487 Views