1 Answers

বিছা যে বিষাক্ত তা তো জানা কথাই। কিন্তু বিজ্ঞানীদের এটা জানা ছিল না এই বিষের উৎস কোথায়। শুরু হলো খোঁজাখুঁজি। দেখা গেল, বিছার রোগ প্রতিরোধের জন্য দেহে যে ব্যবস্থা আছে সেখান থেকেই উৎপত্তি এর বিষের! চীনের একাডেমী অব সায়েন্সের শুনউই ঝু ও তার গবেষক দল দেখেন যে, বিবর্তনের ধারায় বিছা ও আরো কিছু প্রাণীর দেহে এরকম বিষগ্রন্থির আবির্ভাব ঘটেছে। বিছার লেজে এই বিষের অবস্থান থাকে। আর এখন পর্যন্ত বিছার ২৫০০ প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যাদের মাঝে ২৫ টি প্রজাতি এতোটাই বিষাক্ত যে মানুষকে মেরে ফেলতে সক্ষম। Inside Science News Service এ জানানো হয়, বিছার দেহে ‘ডিফেনসিনস’ নামে এক ধরণের প্রোটিন আছে যেটা আরো কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহে পাওয়া যায়। এ প্রোটিন ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা এ প্রোটিনে থাকা অ্যামিনো এসিডের সিকুয়েন্সিং করে দেখেন যে একটিমাত্র জিনের কারণে ‘ডিফেনসিন’ প্রোটিন রূপান্তরিত হয় ভয়াবহ বিষে। বিবর্তনের আদি পর্যায়ে বিছারা প্রথমে মাটিতে, পরে পানিতে বসবাস করতো, আকারে ছিল অনেক বড়। কিন্তু পরবর্তীতে তারা আবার মাটিতে ফিরে আসে, কিন্তু আকারে ছোট হয়ে যায়। আর এটা ছিল ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের কথা।

3246 views

Related Questions