user-avatar

Mehebuba Hasan

◯ MehebubaHasan

নিজেকে সবসময়ই বিভিন্ন ভালো কাজে ব্যস্ত রাখুন ।শিশু , ছোট ছেলেমেয়ে এদের সাথে বেশি মেলামেশা করুন ।ধর্মীয় কাজে বেশি মনোযোগী হোন ।একা না থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেশি সময় কাটান।সময়ের সাথে সাথে আপনার মানসিকতার পরিবর্তন হবে ।
অনেক সময়ই দিনের বেলা ঘুমানোর কারণে রাতে ঘুম আসে না।দিনে কায়িক শ্রমের পরিমাণ যথেষ্ট হলে, দেহ ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং ঘুম চলে আসে ।তাছাড়া আপনি যখন ঘুম আসে না, তখন যেকোন ধরনের বই পড়তে পারেন ।তাতে আপনার মস্তিষ্ক ক্লান্ত হবে এবং ঘুম চলে আসবে।অনেক সময়ই tension করার কারণে ঘুম আসে না ।সুতারাং tension করা বাদ দিন।অবশ্যই রাতের শেষে দিন আসে ।
কচুরিপানা ।কারণ জলজ উদ্ভিদ হিসেবে কচুরিপানা একসাথে পানির ওপর ভাসতে থাকে ।
না, বরং দাঁতের জন্য ভালো এবং infection হতে দাঁত রক্ষা করা সম্ভব। এতে দাঁত ভাল থাকে। আপনি নিশ্চিন্তে দাতঁ স্কেলিং করাতে পারেন।
বিশেষ কোন অসুবিধা হয় না ।তবে চুল একটু আঠালো ধরনের হয়ে যায় ।সুতারাং চুল জড়িয়ে যাওয়া বা দ্রুত চুলে ময়লা জমতে পারে ।এজন্য কারো কারো ক্ষেত্রে স্বাভাবিকের তুলনায় চুল পড়ার পরিমাণ বাড়তে পারে ।

উত্তর চাই.....?

MehebubaHasan
Aug 17, 09:46 AM
আসলে চারপাশের পরিবেশে অনেক কিছু আছে ।আপনি কোনটা জন্য interested তা বুঝতে পারছি না ।আপনি ভূগোল, মৃত্তিকা ইত্যাদি যে শাখাতে পড়তে চান, সব শাখাতে নিদিষ্ট বিষয়ের উপর গবেষণার সুযোগ আছে ।
মোটেও না ।কারণ যখন কোন মানুষের আত্না আল্লাহ পাকের কাছে চলে যায়।তখন তার কাছে দুনিয়ার সুখ-দুঃখ ,আচার -অনুষ্ঠান বা সুন্দর পৃথিবী কোন কিছুর মূল্য থাকে না ।বরং সে তো তার গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করতে থাকে ।
HSC ও SSC পরীক্ষার মোট point এর উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন university scholarship প্রদান করে ।
এইজন্য আপনার HSC ওSSC পরীক্ষার মোট পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে scholarship এর ব্যবস্থা আছে ।তাছাড়া আপনি university গুলোরwebsite এ গিয়ে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন ।
এটা আপনার ভাল লাগা হতে পারে । কারণ আপনার বয়স খুব কম এবং আপনি একজন কিশোর ।সুতারাং এটা ভালো লাগা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।কিন্তু এই মুহূর্তে আপনার কিছুটা সময় নিয়ে নিজেকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত ।এই প্রশ্নের উত্তর আপনার থেকে ভালো কেউ জানে না ।আর এই বয়সে এরকম কিছু ঘটা স্বাভাবিক ।
আপনার এই অনুশোচনা আমার মতে যথেষ্ট ।কারণ সৃষ্টিকর্তা তাদের ক্ষমা করেন, যারা অনুতপ্ত ।আপনার সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস রাখা  উচিত এবং নিজেকে বিশ্বাস করা উচিত ।আর যখন আপনার নিজেকে ছোট বলে মনে হবে ।তখন সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা  মন দিয়ে করবেন ।তাতে আপনার মনে শান্তি ও শক্তির সঞ্চার হবে।
Friction এর ফলে যে তাপ উৎপন্ন হয়, তা শুধুমাত্র যান্ত্রিক শক্তি হতে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ।পৃথিবীতে বিভিন্ন শক্তিসমূহ এক রূপ হতে অন্যরূপে রূপান্তরিত হয়।কারণ শক্তির সৃষ্টিও নেই, ধ্বংসও নেই ।
একটু সমস্যা হতে পারে, তবে সিরিয়াস নয়।রক্ত দেওয়া শেষ হওয়ার পরেই গ্লুকোজ মেশানো পানি পান করবেন ।তাতে আপনার শরীরের দূর্বলতা কিছুটা কমবে ।তাছাড়া খাবার হিসেবে আপনি কলার মোচা, কচু শাক, ডিম, মৌসুমী ফল ও সবজি খেতে পারেন ।দুধ সুষম খাবার।সুতরাং প্রতিদিন দুধ আবশ্যই খাবেন ।কেমিক্যালযুক্ত খাবার প্রথম দুই একদিন avoid করাই ভাল ।
ভিন্ন ভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন পয়েন্ট demand করে ।আর পড়ার খরচের ব্যাপারটাও পয়েন্টের ওপর নির্ভর করে ।আসলে তারা SSC ও HSC পরীক্ষার results দেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ।আপনি যে university তে পড়তে চান, সেই university র ওয়েবসাইটে গিয়ে search দিলে এই বিষয় সম্পর্কিত সব তথ্য পাবেন ।
বেশিরভাগ মেয়েরা তাদের প্রতি interest দেখায়, যারা তাদের সম্মান করে ।সুতারাং আপনি এমন ভাষা ব্যবহার করবেন যাতে তিনি খুশি হন।
আসলে পরীক্ষা নিয়ে tension এর কারনে এমন হয়।আর এই ব্যাপারটা প্রত্যেকের সাথে কম বেশি ঘটে থাকে ।আসলে আপনার মস্তিষ্ক নিজেকে চাপ মুক্ত করার জন্য এসব কাজ করতে চায় ।যাতে মস্তিষ্ক অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং পরীক্ষার কথা ভুলে যেতে পারে ।কিন্তু এই মুহূর্তে আপনি যতটা চাপ মুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবেন, আপনি ততটা লাভবান হবেন ।কারণ চাপের মুখে কোন কাজ করতে গিয়ে মানুষ সব থেকে বেশি ভুল করে ।
Yes. আপনি হীনমন্যতায় ভুগছেন এবং আপনার confidence হারিয়ে গেছে ।প্রথমে আপনার নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে ।এই পৃথিবীতে আসার জন্য এবং টিকে থাকার জন্য আপনাকে কতটা লড়াই করতে হয়েছে তা ভাবুন ।এই পৃথিবীতে দূর্বলের কোন স্থান নেই। যেহেতু আপনি বেঁচে আছেন ,সেহেতু আপনি অবশ্যই একজন লড়াকু ।নিজেকে এত ছোট ভাবার কোন কারণ নেই ।তাছাড়া আপনি একজন ভালো  physiologist এর পরামর্শ নিতে পারেন ।
প্রথমটির উত্তর হবে বিশ লক্ষ ডানা এবং দ্বিতীয়টির উত্তর হবে রাস্তা ।
সমস্যা দেখে পালিয়ে গেলে এতে সমাধান আসে না ।আগে আপনার নিজের সাথে ব্যাপারটা নিয়ে বোঝা পড়া করতে হবে ।আসলে এটা কেন হচ্ছে তা নিজেকে জানতে ও বুঝতে হবে ।আর ঘাবড়ে না গিয়ে শান্ত হয়ে সমস্যার সমাধান কি হতে পারে তা চিন্তা করতে হবে ।এখানে আপনি আপনার পরিবারের কোন সদস্য, যার সাথে আপনি খুব close তার সাহায্য নিতে পারেন ।
পানি  বিশ্লেষিত হয়ে তড়িৎ পরিবহণ করে ।তাই ভেজা কাঠ তড়িৎ পরিবাহী এবং যে কাঠ শুকনো অর্থাৎ যে কাঠ পানি দ্বারা ভেজা থাকে না, তা বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
মানসিক রোগ অবশ্যই একটি গুরুতর রোগ ।এটা সহজেই আপনার মৃত্যুর কারণ হতে পারে ।রোগ অল্প হোক বা বেশি আমার মতামত অনুযায়ী অবশ্যই আপনার একজন ভালো Psychologist এর পরামর্শ নেওয়া উচিত ।কারণ এই রোগের চিকিৎসা নিজের ইচ্ছামতো করতে গেলে, তা জটিল আকার ধারণ করতে পারে ।
অবশ্যই আছে ।ডাক্তারের prescribe করা সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে ঔষধ গ্রহণ করলে, ঔষধের প্রতি আসক্তি জন্মাতে পারে ।তাছাড়া মানসিক রোগ বৃদ্ধি পেতে পারে ।
আমার গ্রহণ করা ঔষধগুলো হলো টিগোভার ও ডিলিটা। 
আমার মনে হয়, ভালো রেজাল্টের জন্য প্রত্যেক subject এর উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত ।বিভিন্ন টেস্ট পেপারে important প্রশ্নগুলো বারবার repeat করা হয়েছে ।এই topics গুলো সৃজনশীল প্রশ্নের জন্য very important. আর MCQ এর জন্য বই বেশি করে reading পড়া উচিত ।সবগুলো বই পড়ার জন্য একটা রুটিন করে পড়া খুব ভালো, তাতে সবগুলো বই সঠিক ভাবে পড়ে শেষ করা যায়।
যদিও এটা আপনার অভ্যাস হয়ে গেছে, তবু ও এই স্বভাব আপনার অসুস্থতার কারণ হতে পারে ।এর কারণে gastric এর সমস্যা হতে পারে,খাদ্য হজমে সমস্যা হতে পারে, শরীরে মেদ বৃদ্ধির জন্য দায়ী হতে পারে, আপনার অজান্তেই আপনার শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে ।
আমার মত অনুযায়ী আপনার diploma course complete করা উচিত ।যেহেতু আপনি HSC complete করেছেন, সেহেতু আপনি 3rd semester এ গিয়ে ভর্তি হতে পারবেন । একটু পরিশ্রম করলে আপনার সময় বেঁচে যাবে ।তবে এই সুযোগ শুধু সিভিল, ইলেকট্রিক এবং কম্পিউটার  department এর জন্য প্রযোজ্য ।অন্য department এ ভর্তি হলে 3rd semester এ ভর্তি হবার সুযোগ নেই ।এছাড়া আপনি এই বিষয়টি নিয়ে Google search দেওয়ার মাধ্যমে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে ও বিস্তারিত জানতে পারবেন ।
ছেলেটির তার পরিবারের সদস্যদের সব থেকে কাছের মানুষের সাথে কথা বলা উচিত ,যার সাথে সে সব কিছু share করতে পারে।তাছাড়া ছেলেটি পরিবারের সদস্যদের বোঝাতে পারে যে সে তার পরিবারকে কতটা ভালবাসে,তাতে পরিবারের সাথে কথা বলাটা সহজ হবে ।তার বড়ভাই শিক্ষিত, সুতারাং তার সাথে ভদ্রভাবে কথা বললে সে ব্যাপারটা বুঝবেন বলে মনে হয়।কারণ হাজার হলেও সে আপন ভাই ।সমস্যা যেমনি হোক, তাকে ঠান্ডা মাথায় handle না করলে সমাধান পাওয়া কখনো সম্ভব নয়।সমস্যার সমাধান তাড়াহুড়ো করে ভাবতে নেই ।