2 Answers

প্রথমত ‘কবি’ হয়ে ওঠার মতো কোনো বিষয় নয়। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার অথবা সাংবাদিক হতে চাইলে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন পড়ে, ওসব হওয়ার জন্য যেমন প্রতিষ্ঠানমুখী হতে হয়, কবি হওয়ার জন্য তেমন কোনো প্রতিষ্ঠান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। কবি হতে চাইলে নিজের ভেতর কবিত্ব ধারণ করতে হয়। কবিত্ব হচ্ছে একটি স্বভাব। যেমন কেউ যদি ‘দয়ালু’ হয়ে চায় তবে কোনো বই অথবা প্রতিষ্ঠান উক্ত ব্যক্তিকে দয়ালু বানিয়ে দিতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না সে নিজেই নিজের ভেতর ‘দয়া’ ধারণ করে। দয়াও একটি স্বভাব। তবে ‘কবিত্ব’ ধারণ করার পর সেটিকে একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে নিয়ে আসতে হলে বই পড়তে হয়। সাহিত্য শব্দের অর্থ কথা, তবে কথা মাত্রই সাহিত্য নয়। সুন্দর কথার মানেই সাহিত্য আর কবিতা মানেই সুন্দর। যে কোনো সুন্দর কথাই কবিতা। কবির কাজ কবিতা সৃষ্টি করা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্য অনুযায়ী- রুপের মধ্যে অরুপের সন্ধানই হচ্ছে কবিতা। সেই রূপ আনার জন্য আপনাকে জানতে হবে ছন্দ বা গদ্যরীতি। ছন্দের মধ্যে রয়েছে সংস্কৃত, বৈদিক ও বাংলা ছন্দ সহ আরও অনেক প্রকারভেদ। লিমেরিক, সনেটের মতো বিভিন্ন ছাঁচের মধ্যে আপনার নিজস্ব চিন্তা বা দর্শন এঁটে দিতে পারলেই আপনি কবি হয়ে উঠতে পারবেন। ইচ্ছা হলে ছন্দের বাইরেও কবিতা লিখে কবি হয়ে উঠতে পারেন। তবে যে ছাঁচেই আপনি কবিতা লিখুন না কেন, সেই কথামালা দিয়ে সুন্দর সৃষ্টির ক্ষমতা থাকতে হবে আপনার চিন্তার ভেতর। সুন্দর সৃষ্টির ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাড়াতে হবে আপনার দৃষ্টির পরিসীমা, সূক্ষ্মতা ও গভীরতা। মোটকথা, আপনার দৃষ্টিভঙ্গিই উন্নতিই আপনাকে কবি হতে সহায়তা করবে। কবি হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো পথ নির্ধারিত নেই। (সংগৃহীত)

3132 views Answered

কবিতার জন্য দরকার শব্দ।প্রকৃতির নানা শব্দ মনের ভিতর ভালো ভাবে আটকে রাখলে কবি হওয়া যায়,যে শব্দ ভালোবাসে,যে শব্দ কে আদর স্নেহ করে সুখ পায় সেই হতে পারে কবি।কিছু কিছু শব্দ আছে যেগুলোর রঙ তোমাকে চিনতে হবে।অনেক শব্দে শোনা যায় টলমলল হাসি।অনেক শব্দ অতি মধুর আর এই স্নেহে ভরা এবং মনোরঞ্জন করা শব্দ গুলো মনের ভিতর রেখে দিয়ে এবং সেগুলো মিলিয়ে মিলিয়ে কয়েকটি বাক্য গঠন করলেই মনের অজান্তে হয়ে যাবে সুন্দর কবিতা।আর এভাবেই হওয়া যায় কবি।

3132 views Answered

Next steps