দেখেতে খুব খারাপ লাগে কিভাবে কমাবো?
আমার বয়স 22 বছর আস্ত আস্ত ভূরি বড় হয়ে যাচ্ছে নিজের কাছে দেখেতে খুব খারাপ লাগে কিভাবে কমাবো?
3 Answers
ভুড়ি কমাবার জন্যে রইলো কিছু কার্যকর টিপসঃ
১) হাঁটুনঃ
প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটুন। যে দূরত্বে হেঁটেই যেতে পারবেন সেখানে রিকশা করে যাবেন না। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন। প্রথম কিছুদিন ক্লান্ত লাগলেও কয়েক দিন পর এটা আপনার অভ্যাসে পরিণত হবে।
২) ভাজা পোড়া কম খানঃ
ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার কম খান। চেষ্টা করুন কম তেলে রান্না করা বা সেদ্ধ করা খাবার খেতে।
৩) ফাস্টফুডকে না বলুনঃ
কোনভাবেই ফাস্টফুড খাবেন না। মেয়োনেজ, পনির, সস, তেল, মাখন এসব আপনার পেটে চর্বি জমতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
৪) ঘুমাবার আগে হাঁটুনঃ
ভুঁড়ি হবার অন্যতম কারণ খাবার ঠিকভাবে হজম না হওয়া। ঘুমাবার অন্তত দুই ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান এবং খেয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হবে। পেট বাড়বে না।
৫) লিফট নয় সিঁড়িঃ
অফিস বা বাসায় যতটা সম্ভব লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। এটা পেটের জমে থাকা চর্বি অপসারণের খুব ভাল উপায়। এতে পেটের উপর চাপ পড়ে ও আস্তে আস্তে চর্বি কমতে থাকে।
৬) অভ্যাসে সচেতন হোনঃ
চেষ্টা করুন সব সময় সোজা হয়ে দাঁড়াতে, বসতে ও হাঁটতে। কুঁজো হয়ে হাঁটবেন বা বসবেন না। দীর্ঘ সময় কুজো হয়ে এক স্থানে বসে থাকা, কম্পিউটারে কাজ করা এসবের কারণে ভুঁড়ি বেড়ে যায়। প্রতি এক ঘন্টা অন্তর একবার উঠে দাঁড়ান ও সোজা হয়ে বসুন।
৭) খাবার গ্রহণে নিয়ম মেনে চলুনঃ
দিনে তিন বেলা ভারী খাবার খাওয়ার চেয়ে ৫ বেলা কম করে খান। একেবারে না খেয়ে থাকা ঠিক নয়। ভাত খাবার চেয়ে ফল বা সবজি বেশি করে খান। পেট ভরবে কিন্তু ভুঁড়ি বাড়বে না।
৮) পানীয়ঃ
কোক বা সফট ড্রিঙ্কস আপনাকে কিছুক্ষণের জন্যে প্রশান্তি দিতে পারে কিন্তু এটা আপনার পেটে চর্বি জমানোর পেছনে দায়ী। একই ভাবে বাজারের ফ্রুট জুসে থাকা প্রচুর চিনি ও অন্যান্য উপাদান আপনার ভুঁড়ি তৈরীতে সহায়ক। তাই এর বদলে প্রচুর পানি, বাসায় বানানো ফলের জুস, ফ্রুট সালাদ হতে পারে খুব ভালো বিকল্প।
৯) একটি বিশেষ ব্যায়ামঃ
একটি বড় বল নিন। সেই বলের ওপর দু পা তুলে দিয়ে চিত হয়ে শুয়ে পরুন। এবার নিজের পায়ের পাতা স্পর্শ করতে চেষ্টা করুন বা উঠে বসতে চেষ্টা করুন। এভাবে দৈনিক ২০ বার করুন। আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ৫০ বার করে ফেলুন। ভুঁড়ি কমাতে এর চাইতে কার্যকরী ব্যায়াম কম আছে। খুব কম সময়ে পেটের মেদ ঝরিয়ে সুন্দর আকারে চলে আসবে আপনার শরীর
অতিরিক্ত ভুড়ি কমানোর সহজ উপায় অনলাইন ডেস্ক: পেটে মেদ জমতে সময় না নিলেও মেদ থেকে রেহাই পেতে পোড়াতে হয় অনেক কাঠখড়। যদি শহুরে কর্মজীবনে আপনার সময় বেশি কাটে তবে উদরের বাড়তি মেদ কমানো বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পেটের মেদ কমানোর জন্য সাধারণ কিছু অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে: ১. মেদ কমাতে লেবু দারুণ কার্যকর। পেটের চর্বি কমাতে চাইলে লেবুর রস খেয়ে সকাল শুরু করুন। এক গ্লাস কুসুম-কুসুম গরম পানিতে খানিকটা লেবুর রস নিয়ে সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে সকালে খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে এই শরবত খাওয়ার অভ্যাস হজম প্রক্রিয়ায় ও পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে। ২. বাঙালি হয়ে ভাত খাওয়া চলবে না, এ কথা শুনলে অনেকেই আঁতকে ওঠেন। ধবধবে শাদা ভাতের প্রতি আকর্ষণই অন্যরকম। তবে পেটের চর্বি কমাতে চাইলে ভাত এড়িয়ে চলতে হবে। এর বদলে হোল গ্রেইন খাবার, যেমন- লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি, ওটস ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। ৩. পেটের মেদ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনিসমৃদ্ধ কোমল পানীয় এবং অতিরিক্ত চর্বি ও তেলজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এসব খাবার শরীরের মেদ বাড়িয়ে দেয়। ৪. প্রতিদিন প্রচুর পানি খেতে হবে। কারণ পানি হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং শরীরে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। পেটের মেদ কমানোর জন্য পানি পান করা খুবই কার্যকর। ৫. প্রতিদিন সকালে দুই থেকে তিন কোয়া কাঁচারসুন খেয়ে তারপর এক গ্লাস লেবুর রস মেশানো পানি খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ভালো হয় এবং বাড়তি ওজন তাড়াতাড়ি কমে। ৬. পেটে যদি চর্বিও পরিমাণ বেশি হলে আমিষজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। পেটের মেদ ঝরাতে শাকসবজি ও ফল বেশি খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় প্রচুর ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করার পাশাপাশি বিভিন্ন ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতিও পূরণ হবে।