আমার শরির খুব চিকন ১৫ বছর আগে ভাল সাস্থ ছিল কিভাবে,আমি আমার সাস্থ ফিরে পাব?
5 Answers
আপনাকে সবার আগে টেনশন দূর করতে হবে। টেনশন থাকলে স্বাস্থের মারাত্বক ক্ষতি হয়। নিয়মিত পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খান। খাবার রোজ সময় অনুযায়ী খাবেন। দুপুরে একটু ঘুমান। রাত জাগবেন না। একনাগাড় রাত জাগা মারাত্বক ক্ষতি করে। সকাল সকাল বিছানা ত্যাগ করুন।। আর হ্যা পানি প্রচুর পান করবেন।। আশা করি ভালো ফলাফল পাবেন
যাবতীয় খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করু,১৫বছর আগে যে কারোর সাস্থ্য এ ভালো থাকতে পারে,ছোট বয়সে মানুষ এমনিতেই একটু সাস্থ্যবান হয়।
দেখুন সঠিক ও সুষম খাবার গ্রহণ ব্যাতীত আপনি ভালো সাস্থ্য আশা করতে পারেন না,যতই ব্যায়াম করুন,সাস্থ্য ভালো হবেনা, বরং আরো খারাপ হবে,কারন বাড়তি শক্তি খরচ হবে শরীর হতে ব্যায়াম করলে।
তা পূরণে অবশ্যই আপনাকে ভালো খাবার গ্রহন করতে হবে।
ভালো এবং সুষম খাবার ব্যতীত ভালো সাস্থ্য আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।
এক্ষেত্রে শুধু আপনার বডি বিল্ড আপ হবে ভালো ভাবে।
নিয়মিত ব্যায়াম শুরু করুন: আমাদের সবার ধারণা ব্যায়াম শুধু ওজন কমানোর জন্যই কাজ করে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। ব্যায়াম করলে শরীর একটিভ হয় এবং পুষ্টি উপাদানগুলো ঠিক মতো কাজে লাগে। ঠিক সময়ে ক্ষুধা লাগে, এবং তখন খাদ্য গ্রহণের রুচিও বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন হালকা কিছু ব্যায়ামই এর জন্য যথেষ্ট। পর্যাপ্ত ঘুমান ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন: আপনার খাদ্যাভ্যাস আর শরীর চর্চার পাশাপাশি যেই জিনিসটা লাগবে তা হলো পর্যাপ্ত ঘুম এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা। দৈনিক ৮-৯ ঘণ্টা ঘুম এবং অন্যান্য বিষয়গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনার ওজন বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ হবেই। ব্রেনের উপর কোনো চাপ নেবেন না। প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান: ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্য জম্ন ভালো থাকবে, তেমনি ওজনও বাড়বে।
আপনার দেহ গঠনের প্রয়োজন। আর আমাদের দেহ গঠন করে আমিষ জাতীয় খাবার। তাছাড়া শুধু মেদ বাড়লেও খারাপ। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন শক্তি। আর আমাদের দেহের শক্তি জোগায় শর্করা আর স্নেহ জাতীয় খাবার। তাই আমাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় এই উপাদান গুলো থাকায় উচিৎ।
আপনি বেশি বেশি করে ক্যালোরিযুক্ত খাবার খান। ভাতের বদলে ডাল এবং সবজিসহ রান্না করা খিচুড়ি খান । ভাত খেতে হলে বসা ভাত রান্না করুন কিংবা রাইস কুকারে রান্না করা ভাত খান । ফ্যান বা মাড় ঝরানো ভাত খাবেন না । রুটি খাবেন না । পাউরুটি খেলে জেলি/জ্যাম অথবা মাখন সহ খান । প্রতিদিন ১০০ গ্রাম বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন।প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫০ গ্রাম দুধ খান । দিনে ২ টি ডিম খান । অতিরিক্ত চা কফি খাবেন না । কখনই খাবার বাদ দেবেন না । দ্রুত কোথাও যেতে হলে বা কাজ থাকলে পথে খাবারটা খেয়ে নিন । খাবার বাদ দিলে শরীরের ক্ষতি হয় । তিনবেলা খাওয়ার সাথে সাথে বিকালে নাস্তা করুন । এবার আসুন এক্সারসাইজে, জিমে গিয়ে কখনই ব্যায়াম করবেন না।হাল্কা ব্যায়াম করুন ।দৌড়ান , সাইকেল চালান, সাতার কাটুন । অতিরিক্ত ব্যায়াম করবেন না। এগুলি করলে আপনি
আগের স্বাহ্য পেতে পারেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy