4 Answers
আপনি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করুন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, একা একা থাকবেন না। আসা করি আপনার আবেগ দূর হয়ে যাবে।
যন্ত্রণার বেড়াজালে আক্রান্ত হয়ে আবেগ অনেক সময় মানুষের জন্য নিয়ে আসতে পারে অনেক দুর্ঘটনা, যা প্রায়ই ঘটছে পৃথিবীতে। বিভিন্ন আবেগের বসে মানুষ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, ফলে অনেক সময় ঘটে যায় বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা। যার শিকার হয় সংখ্যাধিক হারে বেশি তরুণ-তরুণীরা। এমনকি মৃত্যুর জন্যও আবেগের দখলদারিত্ব কাজ করে সবচেয়ে বেশি। যা আমাদের জন্য কাম্য নয়। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার ভার নিজেদেরই আর আবেগও তার বাইরে নয়। যদিও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া কাজ করে। তবুও আবেগের মাধ্যমে একজন মানুষ সৃষ্টিশীল ও ঔজ্জ্বল্যতায় অনেক সাফল্যও উঠিয়ে আনতে পারে। সেখানেও আবেগের পরিমাণ থাকে তুলনামূলকভাবে বেশি। যাপিত জীবনের সর্বক্ষেত্রে মানুষের কর্মপরিধিতে ও ব্যক্তিক জীবনের এক নান্দনিক নির্যাসই বলা যায় আবেগকে। দৃষ্টিভঙ্গির দিক দিয়ে যেটাকে নেওয়া উচিত সহজ সরলভাবে আর তখনই তার সুনিয়ন্ত্রিত বিন্যাসের মাধ্যমে আমাদের ভেতর জন্ম নেয় নতুন নতুন অধ্যায়ের সুস্থ ধারা। যেখানে থাকবে না কোন মৃত্যু, কোন অঘটন, কোন আত্মহত্যা, কোন কিছু হারানোর ভয়।
আপনি ভাল একটা আপনার পছন্দের জায়গায় ঘুরাতে যান, ইদানিং খেলাধূলা করুণ, সব সময় হাসি খুশিতে থাকার চেষ্টা করুণ, এবং কখনও একা থাকবেন না আশা করি সফল হবেন!
বেশি বেশি খেলাধুলা করুন। আনন্দে থাকার চেষ্টা করুন, বেড়াতে যান, বিকালে ঘুরতে বের হোন। সবসময় বাস্তবকে নিয়ে ভাবুন। বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করুন তাহলেই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন।