দুচোখের নিচের কালো দাঁগ দূর করবো কিভাবে?
4 Answers
গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন। এটাও আয়ুরবেদিক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলার মধ্যে দু ফোটা গোলাপজল নিয়ে চোখের চার পাশে লাগান। -হাতের তর্জনি আঙ্গুলে দু’ফোটা মুধু নিয়ে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা চোখের উপরের চামরার রোদে পোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করে -প্রতিদিন অন্তত ৮/১০ গ্লাস পানি পান করুন। নিয়মিত কম করে হলেও ৮ ঘণ্টা ঘুমান।টেনশন মুক্ত থাকুন । বেশি বেশি সবুজ শাক-সবজি খান। এছাড়া – এখন বাজারে কিছু কিছু আন্ডার আই ডিগিগুমেন্টেশন ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়। এ ধরনের ক্রিম এক থেকে দু’মাস ব্যবহার করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। তবে ভেজাল এড়াবার জন্য ব্রান্ডের অয়েনমেন্টগুলো বেছে নিন এক্ষেত্রে ।পাশাপশি অনেক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্ট বা স্কিন বিশেষজ্ঞগণ চোখের নীচের কালো দাগ দুর করতে এক ধরনের স্পেশালাইজড কেমিক্যাল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন, তাদের পরামর্শ অনুশারে এসব ওষুধ ব্যাবহার করতে পারেন। এ ধরনের কেমিক্যাল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়। তা না হলে চোখের মারাÍক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
আপনের জন্য উওম ঔষধ হল তুলশিপাতার রস আর মধু এক সাথে মিসিয়ে প্রতিদিন রাতে হালকা বাভে লাগান তারা তারি কালো দাগ দূর হবে।
চোখের নিচের কালো দাগ ঢাকার জন্য কনসিলার লাগাতে পারেন। কনসিলার ব্যবহার করা হয় ত্বকের কালো দাগ, ত্রুটি ও দাগজনিত বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে। এটি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তবে চোখের কালো দাগ ঢাকতে পেনসিল, লিকুইড বা ক্রিম কনসিলার খুবই উপযোগী। এটি আবার বিভিন্ন রঙেরও হয়ে থাকে। যেমন: কালো, গোলাপি, হলদে, জলপাই, কমলা, সাদা, বাদামি ইত্যাদি। চোখের চারপাশের কালো দাগ দূর করার জন্য হলদে, জলপাই ও কমলা কনসিলার খুবই ভালো। যাদের গায়ের রং ফরসা, তাদের হালকা রঙের কনসিলার ব্যবহার করাই ভালো। চোখের কালো দাগের জায়গায় দাগের চেয়ে এক বা দুই রঙের হালকা শেডের কনসিলার ব্যবহার করুন। সব সময় ওপর থেকে নিচে করে ত্বকের সঙ্গে এটি মিশিয়ে নিতে হয়। অবশ্যই কনসিলার লাগানোর পর ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার লাগাতে ভুলবেন না। এটি লাগানোর পর যদি বেশি গাঢ় মনে হয়, তাহলে অল্প আইক্রিম হালকাভাবে তার ওপর লাগিয়ে নিতে পারেন। আমরা অনেক সময় শুনে থাকি চোখ মানুষের মনের কথা বলে। সেই চোখ যদি রাখতে হয় সতেজ আর সুন্দর তাহলে তো একটু কষ্ট করাই যায়।