5 Answers
· রোজমেরি (Rosemary) এর জীবাণু নাশক কার্যকারিতার কারণে শরীরের বাজে গন্ধ দূর করার জন্য বেশ সুপরিচিত। এই ভেষজটির মনোমুগ্ধকর সুগন্ধ আপনার পাকস্থলিকে স্বস্তি দান করতে ব্যবহার করা যায়। আপনার খাদ্য তালিকার চা তে এটি মিশিয়ে গ্রহণ করলে পৌষ্টিক নালীর বেশ উপকার হয় এবং এর জীবাণু নাশক বৈশিষ্ট্যের কারণে চামড়ার উপরের অপ্রত্যাশিত ক্ষুদ্র জৈব জীবাণু থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এক আউন্স পরিমাণ পানিতে ৮-১০ ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে প্রয়োগ করুন।
ঘেমে গেলে অনেকের গায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে মরা কোষে রোমকূপ বন্ধ হয়ে থাকা। তাই গোসলের পূর্বে শুকনো গায়ে বডি ব্রাশ চালিয়ে পুরো দেহের মরা কোষ দূর করে নেয়া ভালো এবং গোসলের পানিতে কমলা লেবুর খোসা ডুবিয়ে রেখে গোসল করলে গায়ের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আপনি বিভিন্ন রকম সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন। এর সাহায্যে আপনার গায়ের দুগন্ধ দুর হবে এবং মনেও শান্তি পাবেন।
স্বাভাবিকভাবে মাঝে মধ্যে শরীরে গন্ধ হওয়া খুবই সাধারণ একটি ঘটনা। কিন্তু কারো শরীরে যদি সারাক্ষণই বিশ্রী দুর্গন্ধ নির্গত হতে থাকে তাহলে সেটি ভীষণ বিব্রতকর ও অস্বস্তিকর একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। অনেকে অতিরিক্ত ঘামার ফলে শরীরে গন্ধ সৃষ্টি হয় আবার অনেকেই না ঘেমেই শরীর ভর্তি অস্বাভাবিক গন্ধ নিয়ে পালিয়ে পালিয়ে বেড়ান। পারফিউম বা সুগন্ধি জাতীয় দ্রব্যাদি সাময়িকভাবে শরীরে সুবাস এনে দিলেও অল্প কিছুক্ষন পরেই অবস্থা যা তাই হয়ে যায়। বেকিং সোডা(baking Soda) আপনার শরীরের ঘাম ও দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা খুব কাজের জিনিস। এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সমপরিমাণ লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে আপনার আন্ডার আর্মসে ও শরীরের ঘাম নির্গত হয় এমন অংশে লাগিয়ে ২ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে এক থেকে দুই সপ্তাহ ব্যবহার করে দেখুন শরীরের গন্ধ কমে যাবে। আপেল সিডার ভিনেগার(apple Cider Vinegar) আপেল সিডার ভিনেগার ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধের একটি অন্যতম উপাদান। প্রতিদিন দুই সপ্তাহ খাওয়ার আগে এক কাপ আপেল সিডার ভিনেগারের সাথে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে পান করুন। অথবা গোসলের জন্য গরম পানিতে এক কাপ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে গোসল করুন। দেখবেন শরীরের বিশ্রী গন্ধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। লেবুর রস(lemon Juice) শরীরের গন্ধ দূর করতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল লেবুর রস। একটি লেবু দুইভাগে ভাগ করে কেটে আন্ডার আর্মসে ঘষুন আর দেখুন যাতে রস যেন শরীর শুষে নেই। এরপর এটি শুকিয়ে গেলে গোসল করুন। যতদিন শরীরের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে না আসে ততদিন এই পদ্ধতি দিনে একবার প্রয়োগ করুন। উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করার পাশাপাশি আপনাকে আপনার শরীরের গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে সঠিক খাবারের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। দিনে কমপক্ষে এক বার গোসল করতে হবে, পোশাকআসাক পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখতে হবে আর পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
গায়ের দুর্গন্ধ দুর করতে আপনাকে সবসময় পরিষ্কার পিচ্ছন্ন থাকতে হবে। তাছাড়া গোসলের পর বগলে রেক্সোনা এবং শরীরে ভাল মানের পারফিউযুক্ত লোশন মাখবেন। বর্তমানে অনেক উন্নত বডি স্প্রে পাওয়া যায় এগুলো ব্যবহার করবেন। রোদে কম যাবেন।কারন ঘেমে গেলে গায়ে দুর্গন্ধ বাডে।