1 Answers
প্রবণতা শীতকালে বেশি দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ত্বক ফেটে যায় ও আঁশের মতো উঠতে থাকে। বেশি শুকনো হলে ত্বক লালচে হয়। অনেক সময় ত্বক ফেটে রক্ত বের হয়। আবার কখনো কখনো এর থেকে চুলকানি, ত্বকের প্রদাহও হতে পারে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে গেলে সবার ত্বকই কমবেশি শুকনো হয়। তবে অনেকেই আছেন, যারা জন্মসূত্রে শুকনো ত্বক লাভ করেন। ইকথায়োসিসের ফলে ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। মাছের আঁশের মতো বড় বড় ত্বকের টুকরো ওঠে। বয়স বাড়ার সঙ্গে অনেকেরই এ রোগ অনেকাংশে কমে যায়। শুষ্কতার কারণ : বহির্ত¡কের একবারে বাইরের স্তর বা কেরাটিন স্তরের অভ্যন্তরে পানির পরিমাণ কমে গেলে ত্বক শুকনো হয়ে যায়। আবার বেশি বেশি সাবান ব্যবহারের ফলে ত্বকের ওপরের স্বাভাবিক ময়শ্চারাইজার আবরণ নষ্ট হয় এবং ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ডিটারজেন্ট বা সমজাতীয় কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে বহির্ত্বকের কোষের মধ্যকার লিপিড স্তর বা চর্বি স্তর গলে যায়। ফলে কোষ আলগা হয়ে পড়ে। কোনো কারণে কেউ বেশিদিন অপুষ্টিতে ভুগলেও ত্বক শুকনো হতে পারে। অপুষ্টি হলে ত্বকের ফ্যাট অংশে টান পড়ে। বিশেষ করে লাইনোলেইক এসিড নামে ফ্যাটি এসিড শরীরে কমে গেলে ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে কমে যায়। খাবারে লইনোলেইক এসিড না থাকলে ত্বক শুকনো হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিকার : বাতাসে যখন আর্দ্রতা কমে যায়, বিশেষ করে শীতকালে তখন তেল ও পানির একটি প্রলেপ ত্বকে মাখতে হবে। সেটি হতে পারে অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের ময়শ্চারাইজার পাওয়া যায়, যা শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। গ্লিসারিনও একটি ভালো মশ্চারাইজার। এটা পানির সঙ্গে মিশ্রণ করে ত্বকে মাখতে হয়। গোসল সেরে ওঠা মাত্রই টাওয়াল দিয়ে চেপে পানিটুকু তুলে নিতে হবে। তারপর পানি আর গ্লিসারিনের মিশ্রণ শরীরে মেখে দিতে হয়। তবে ত্বকের ভাঁজযুক্ত স্থানে গ্লিসারিন বা ময়শ্চারাইজার না মাখাই ভালো। কারণ ওইসব এলাকা ফাঙ্গাসের উর্বর ক্ষেত্র। সেখানে গ্লিসারিন বা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক ভেজা থাকবে এবং ফাঙ্গাসের জন্ম হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy