আমার ঠোঁট আগে গোলাপি ছিল,কিন্তু এখন তা সাদা হয়ে গেছে।আমার ধারনা আমি পানি বেশি পান করি না বলে এ অবস্থা হয়েছে,আর আমি ধুমপান করি না।এখন আমার ঠোঁট গোলাপি করব কিভাবে?
3651 views

5 Answers

নিচের নিয়মগুলো মেনে চলুন: > প্রতিদিন গ্লিসারিন, অলিভ অয়েল, মধু ও গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে ঠোঁটের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে। > সকালে দাঁত ব্রাশ করার সময় হালকা করে সাবধানে ঠোঁটও ব্রাশ করতে পারেন। এতে ঠোঁটের মরা কোষ ঝরে যায়। > লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁটের কালোভাব দূর হবে। > দিনে কমপক্ষে আট গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। > দিনে দু’বারের বেশি চা বা কফি পান থেকে বিরত থাকুন। > ধনেপাতার রসও ঠোঁটে লাগাতে পারেন। এটি ঠোঁটের কালোভাব দূর করে। > একটা লেবুর অর্ধেক কেটে তার উপর দুই ফোঁটা মধু দিয়ে বৃত্তাকারে ঠোঁটে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর বরফ জলে ঠোঁট ধুয়ে ফেললে ভালো ফল পাওয়া পাবেন। > মুলতানি মাটি, কয়েক ফোঁটা মধু ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে। > ঠোঁটের কোণা অনেক সময় কালো হয়ে যায়, শসা ও পাতিলেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার ঠোঁটে লাগালে উপকার পাবেন।

3651 views

সাদা বা কালো ঠোঁট গোলাপী করার উপায়ঃ  লাইফস্টাইল ডেস্ক সুন্দর হাসির জন্যে সুন্দর ঠোঁটের প্রয়োজনীয়তা কে না বোঝে। কিন্তু নানা কারণে আপনার ঠোঁট হয়ে যেতে পারে কালচে আর রুক্ষ। অতিরিক্ত রোদ, বেশী মাত্রায় চা কফি পান, নিম্নমানের লিপস্টিক, ধূমপান এসব নানা কারণে ঠোঁট কালচে হয়ে যায়। কিন্তু একবার কালচে হয়ে গেলে আবার আগের রঙ ফিরিয়ে আনা বেশ কঠিন ও খরচসাপেক্ষ। ঘরে বসেই যদি হাতের কাছের উপাদান দিয়ে ঠোঁটে ফিরিয়ে আনা যেত সেই গোলাপী আভা! মোটেই অসম্ভব নয়। জেনে নিন সহজ ৬টি উপায়। ১. লেবু ও মধুর মিশ্রণঃ সমপরিমাণ লেবু ও মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। ১ ঘন্টা রেখে দিন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন বা মুছে ফেলুন। এভাবে যতবার ইচ্ছে লাগাতে পারেন। আর এই মিশ্রণটি ফ্রিজে প্রায় ১ সপ্তাহের মতো রেখে ব্যবহার করতে পারবেন। দেখবেন কিছুদিনের মাঝেই আপনার ঠোঁটের রঙ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। ২. গ্লিসারিনঃ শুষ্ক ঠোঁট দ্রুত রোদের সংস্পর্শে এসে কালো হয়। তুলোতে খানিকটা গ্লিসারিন নিয়ে ঘুমুতে যাবার আগে ঠোঁটে লাগান। সকাল পর্যন্ত ধোয়ার দরকার নেই। এভাবে ঠোঁটের শুষ্কতা ও কালচে ভাব দুটোই কমে আসবে। ৩. পানিঃ প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। ঠোঁটের রঙের ওপর পানিশুন্যতার ভূমিকা রয়েছে। ৪. ঠোঁটের প্রসাধনীঃ ঠোঁটের জন্যে কি প্রসাধনী ব্যবহার করছেন তাতে নজর বুলিয়ে নিন। সস্তা বা খারাপ মানের প্রসাধনী ঠোঁটের জন্যে ব্যবহার করবেন না। এতে ব্যবহৃত কেমিকেল ও রঙ আপনার ঠোঁটকে কালো করে ফেলে। ৫. আমন্ড অয়েলঃ আমন্ড অয়েল বেশ সহজলভ্য আর যেকোনো প্রসাধনীর দোকানেই পাওয়া যায়। দামেও সস্তা। চুল, ত্বকের পাশাপাশি এটি ঠোঁটের জন্যেও ভালো। রাতে ঘুমুবার আগে ঠোঁটে আমন্ড অয়েল লাগিয়ে ঘুমান। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের গোলাপী রঙ ফিরে আসতে বাধ্য। ৬. শশার রসঃ দৈনিক একটুখানি শসার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। নিয়মিত ব্যবহার করে সপ্তাহখানেক পর ফলাফলটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। ধূমপান থেকে থাকুন দূরে। ঘন ঘন চা কফি একদম নয়। আর একটু নিয়ম করে ঠোঁটের যত্ন। ব্যস, লিপস্টিকের আর কি প্রয়োজন! ব্রেকিংনিউজ/এএইচপি

3651 views

অনেক উপায় রয়েছে.কিন্তু তার মধ্যে সহজ আর সহজলভ্য হলো.প্রতিদিন রাতেই ঘুমাতে যাবার সময় দুধের সর দিয়া শুবেন.আর সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলবেন.এইরকম কিছু দিন করুন আপনি নিজেই নিজের ঠোঁট এর পার্থক বুজতেই পারবেন.আর যদি সম্ভব হয় তাহলে গোলাপ ফুলের পাপড়ি বেটে গোলাপজল দিয়ে পেস্ট করে ঠোঁটে লাগাতে পারেন

3651 views

আপনি প্রত্যেকদিন ঘুমানোর আগে ভেসলিনের সাথে হালকা খাবার লবন মিশিয়ে ঠোটে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে আপনি ভাল ফলাফল পাবেন ।

3651 views

ঠোঁট মানুষের শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ। তাই এর বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। মুখের ত্বক থেকে তুলনামূলকভাবে ঠোঁট বেশি সংবেদনশীল এবং নরম। তাই ঠোট জোড়া মসৃণ, নরম ও টুকটুকে গোলাপি রাখতে সঠিক যত্ন নিতে হবে। সুন্দর ঠোঁট পাবার জন্য কিছু টিপস- – গ্রীষ্ম ও শীতকালে ঠোঁট বেশি ফাটে। ঠোটের ফাটা রোধ করতে ঘি বা মাখন ব্যাবহার করতে পারেন। নিম পাতার এক্সট্র্যাক্ট ফেটে যাওয়া এবং শুষ্ক ঠোঁটের জন্য খুবই কার্যকর। – লেবুর রস দিয়ে ঠোটে ম্যাসাজ করুন প্রতিদিন ১০ মিনিট। – শীতকালে আপেল থেতলে নিয়ে ঠোঁটে মাখতে পারেন। – ডালিম ফুল নিয়ে তা থেকে তার তেল বের করে নিন। এই তেল ঠোঁটে লাগালে ঠোঁটের স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে। – নরম, সুন্দর, মসৃণ ঠোঁটের জন্য ভাল কোন লিপ বাম অবশ্যই ব্যাবহার করবেন। এটি আপনার ঠোঁটের আদ্রতা রক্ষা করবে ও ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে।

3651 views

Related Questions