1 Answers

চুলকানি বা দাদ এর বিরুদ্ধে প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় গুলোঃ ১. জীবাণুনাশক সাবান ব্যবহারঃ চুলকানির স্থান প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। কোন অবস্থাতেই অপরিষ্কার থাকা যাবে না। গোসলের সময় জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন, এবং অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন সাবানটি যেন আপনার পরিবারের অন্য কোন সদস্য ব্যবহার না করে। নাহলে তারাও এতে আক্রান্ত হবে। ২. ক্ষতিকর অভ্যাসঃ চুলকাবেন না। যত বেশি চুলকাবেন ততই তা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া এটি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে, ফলে যখন তখন বিব্রতকর অবস্থায় পরতে হবে। ৩. এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহারঃ প্রতিদিন আক্রান্ত স্থানে এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহার করুন। ফার্মেসিতে গিয়ে আপনার সমস্যার কথা গুলো খোলাখুলি বলে ঔষধ খোঁজ করুন। কিছু ওষুধ রয়েছে যা বিনা প্রেসক্রিপশনেই আপনি যে কোন ফার্মেসিতে পেয়ে যাবেন। ৪. রোদে শুকানোঃ চুলকানি রোগ থাকা অবস্থায় আপনার বিছানাপত্র আলাদা করে রাখুন। এই রোগ সেরে গেলে বিছানাপত্র জামা কাপড় কড়া রোদে শুকিয়ে নিবেন যাতে অন্য কেউ আক্রান্ত না হতে পারে। ৫. অন্তর্বাস ব্যবহারঃ প্রতিদিন পরিষ্কার অন্তর্বাস ব্যবহার করুন। প্রতিদিন নতুন অন্তর্বাস পরুন সম্ভব না হলে একদিন ব্যবহারের পরেই ধুয়ে পরিষ্কার করে ভালো ভাবে রোদে শুকিয়ে নিন। অন্তর্বাস ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখুন। ৬. টয়লেট ব্যবহারের পর করনীয়ঃ আক্রান্ত স্থান যথা সম্ভব শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন। প্রত্যেক বার টয়লেট ব্যবহারের পর বেশি করে পানি ব্যবহার করার সাথে সাথে মুছে আক্রান্ত স্থান শুষ্ক রাখা। ৭. সুতির অন্তর্বাস পরিধানঃ সুতির অন্তর্বাস পরিধান করুন। মনে রাখবেন অন্য কারো প্যান্ট, অন্তবাস পরিধান করা থেকে বিরত থাকুন। ৮. ঢিলে ঢালা পোশাকঃ বেশী টাইট পোশাক পরবেন না। গোপন অঙ্গে চুলকানি হলে ঢিলেঢালা পোশাক পরাই সবচাইতে ভালো। ---কালেক্টেড!

19313 views

Related Questions