1 Answers

দাম্পত্য জীবনকে করে তুলুন আরো বেশী সুখময় ও সুন্দর শুধু ভালোবাসা দিয়েই একটি সম্পর্ককে সুখী ও সুন্দর করা যায় না। তখন জীবন আরও জটিল হয়ে পড়ে। আজকাল দম্পতিগুলোর মূল সমস্যাই হলো পারস্পরিক বোঝাপড়া। আর একারণেই ভেঙে যাচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর সর্ম্পক। তবে সুখী দম্পতিরা বৈবাহিক সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করতে সবসময়ই কিছু কাজ করে থাকেন। দাম্পত্য জীবনে কিভাবে সুখী থাকা যায় তেমনই ৬ মূলমন্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হলো। বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা : বিশ্বাসই হলো সম্পর্কের মূল ভিত্তি। এর মাধমেই সম্পর্কটা আরো মজবুত হয়। বিশ্বাস তখনই আসে যখন সম্পর্কে একে অপরের প্রতি স্বচ্ছতার সৃষ্টি হয়। যেখানে বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা দুটোই থাকবে সেখানে সম্পর্ক সফল ও দীর্ঘস্থায়ী হতে বাধ্য। পরস্পরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা : দাম্পত্য জীবনের আরেকটি মূলমন্ত্রই হলো একে অপরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা। একে অপরের মতামত ও ইচ্ছা অনিচ্ছার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া। এতে সম্পর্কে গভীরতা আসে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। ভুল বোঝাবোঝির অবসান : একসঙ্গে থাকতে গেলে সামান্য কারণে ভুল বোঝাবোঝি হতেই পারে। অনেক সময় তা সম্পর্ক ভাঙা পর্যন্তও গড়ায়। তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাইলে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে ভুল বোঝাবুঝি দূর করুন। এতে একে অপরের সম্পর্কে শুধু ভালো ধারণাই তৈরি হবে না, বরং সম্পর্কেও মধুরতা আসবে। সহনশীলতা ও সহানুভূতির মনোভাব : সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করতে দুপক্ষেরই সহনশীলতা ও সহানুভূতির মনোভাবের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এই মনোভাবের কারণেই দুজনের মধ্যে যে পারস্পরিক সমঝোতার সৃষ্টি হয়, সেটিই দীর্ঘস্থায়ী সফল বৈবাহিক সম্পর্কের মূলমন্ত্র। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক : বিয়ে মানেই কিন্তু শুধু দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা নয়; সম্পর্ক তৈরি হয় দুটি পরিবারের মধ্যেও। সম্পর্কের গভীরতা, স্থায়িত্ব অনেকাংশেই নির্ভর করে পরিবারের ওপর। স্বামী ও স্ত্রীর একে অপরের পরিবারের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের মাধ্যমেও প্রকাশ হয় একে অপরের প্রতি মায়া মমতা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আর দু’পক্ষের বন্ধন যতোটা গাঢ় হবে সম্পর্ক ততোটাই সফল হবে। সম্পর্কে মধুরতা ধরে রাখা : দাম্পত্য জীবনে পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই সম্পর্কের মধুরতা হারিয়ে ফেলেন। এতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। সম্পর্ক সফল ও দীর্ঘস্থায়ী করতে সম্পর্কে যে কোনো মূল্যে মধুরতা ধরে রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে মাঝমাঝে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন, তাকে আগের মতোই ভালোবাসার কথা বলতে পারেন, ছোটখাট বিষয়ে তার প্রশংসা করেও সম্পর্কে মধুরতা ফিরিয়ে আনতে পারেন। তবেই সম্পর্ক সফল ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

2977 views Answered

Related Questions

Next steps