পন্যর দাম নির্ধারণ কিভাবে নির্ধারন করে যাতে লাভ হবে?
1 Answers
পন্যের মূল্য নির্ধারনের ক্ষেত্রে প্রচলিত ব্যাবসার সঙ্গে ই-কমার্স ব্যাবসার খুব বেশি পার্থক্য নেই। তবে ই-কমার্সে লজিস্টিক এবং অন্যান্য কিছু অতিরিক্ত চার্জের বিষয় যুক্ত হওয়ায় সেগুলোর হিসাব এখানে উঠে আসে। আপনি যদি শুধুই অনলাইনে পন্য বিক্রি করে থাকেন এবং আপনার কোনো ফিজিক্যাল স্টর না থেকে থাকে সেক্ষেত্রেও প্রোডাক্ট প্রাইসিং যেন প্রচলিত মার্কেটের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি। আপনি যদি নিজে উতপাদনকারী না হয়ে থাকেন এবং পাইকারী পন্য কিনে তা খুচরা বাজারে বিক্রি করে থাকেন অনালাইনে তাহলে আপনার পন্যের মূল্য নির্ধারনী কৌশন নিম্নের ন্যায় হতে পারেঃ ক্রয় মূল্য+পরিবহন খরচ+প্যাকেজিং খরচ +মার্কেটিং খরচ+ডেলিভারি খরচ +ক্ষতিপূরন+লেনদেন চার্জ+অপারেশনাল খরচ+প্রত্যাশিক লাভের অংশ=খুচর মূল্য উপরে উল্লেখিত সব গুলো সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাঅ হতে পারে। যেমন ধরুন, আপনার কোম্পানীর পলিসিতে যদি প্রতিটি পন্যের ডেলিভারির ক্ষেত্রে ক্রেতার কাছ থেকে আলাদা ভাবেই ডেলিভারি চার্জ নিয়ে নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে ডেলিভারি চার্জ এখান থেকে বাদ পড়বে। তবে প্রাইসিং এর ক্ষেত্রে সব সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, আপনার পন্যের মূল্য যেন বাজারে প্রচলিত মূল্যের চাইতে অনেক বেশি না হয়ে যায় অথবা অনেক কম না হয়ে যায়। মূল্য অনেক বেশি হয়ে গেলে আপনার পন্য বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে আবার বাজার ধরার জন্য অনেক কম মূল্যে বিক্রি করতে থাকলে আপনি তো লাভের অংশ বের করে আনতে পারবেনই না, বরং বড় ধরনের লসের সম্ভাবনাই থাকবে। ক্ষতিপুরণের যে বিষয়টা উল্লেখ করা আছে সেটাও সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা হিসাব করতে হবে। কারন আপনার স্টকে ১০০ টা পন্য থাকলে ১০০ টাই বিক্রি নাও হতে পারে। ১০ টা অবিক্রিতই থেকে যেতে পারে সব সময়। সেগুলো আসলে ক্ষতিপূরণের খাতায় গিয়েই যুক্ত হতে পারে। আবার অনেক সময় বিক্রিত পন্যের মধ্য থেকেই কয়েকটা ফেরত আসতে পারে বা ডেলিভারির সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কাজেই এই বিষয় গুলোও মাথায় রাখা জরুরি। উপরের এই পরামর্শগুলো শুধুমাত্র পাইকারী ফিজিক্যাল পন্য কিনে খুচরা বিক্রয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। টার্ম পরিবর্তন হলে কৌশলও পরিবর্তন হবে। ধন্যবাদ।