দৌড় এ পারদর্শী হব কিভাবে?
6 Answers
এ জন্য আপনার রীতিমতো অভ্যাস ও অনুশীলন প্রয়োজন। প্রতিদিন সর্বনিম্ন ১ কিলোমিটার পর্যন্ত দৌড়ান। আপনি চাইলে এর চেয়ে বেশিও ট্রাই করতে। আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে গেলে তখন আর হাপিয়ে পড়বেন না।
দৌড় প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে আইনসম্মত ট্র্যাক হল ৪০০ মিটার। দ্রুত দৌড়ানোর জন্য পায়ের শক্তি বিশেষ প্রয়োজন। কেননা, যাদের পায়ে শক্তি বেশি এবং শরীর নমনীয়, তারা দৌড় খেলায় ভালো করে। এছাড়াও, দৌড়ের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে শক্তি ও ক্ষিপ্রতার প্রয়োজন হয়।
পরিমাণ মত খাদ্য পানি গ্রহন করতে হবে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শারিরীক ব্যায়াম করতে হবে, ১থেকে দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত দৌরের অভ্যাস করতে হবে।
আপনার দৌড়ে পারদর্শী হতে হলে আপনাকে অবষ্শই অনুশীলন করতে হবে। এবং না হাপানোর জন্য অবষ্শই ব্যায়াম করতে হবে।
ভালো দৌড়ানোর জন্য শারীরিক ভাবে ফিটনেস
ও ভালো ভাবে তৈরি করে নিতে হবে। আপনি ৩০০/৪০০
মিটার দৌড়ানোর মতো ফিটনেস অর্জন করতে চাচ্ছেন,
কিন্তু আমার মতে এর জন্য কোনো ফিটনেস লাগে না,
অনাসে কোনো প্রকার কষ্ট ছাড়াই যে কোনো সুস্থ স্বাভাবিক যুবক
৩০০/৪০০ মিটার সহজেই দৌড়াতে পারবে।
আমি প্রতিদিন ৩/৪ কিলোমিটার দৌড়ায় যথাক্রমে
১৫/২০ মিনিটে। আমার কোনো প্রকার হাপানি বা কষ্ট
হয় না। এই ফিটনেস অর্জন করতে আমাকে যথেষ্ঠ সময়
আর কষ্ট করতে হয়েছে। এখন থেকে ১ বছর আগে ফ্রেন্ড
সার্কেলের মধ্যে দৌড়ে সবথেকে কষ্ট বেশি ছিলো আমার
কিন্তু বর্তমানে তার বিপরীত শুধু মাত্র ফিটনেসের জন্য।
দৌড়ে ভালো করার টিপস
- দৌড় শুরু করার আগে ২০ মিনিট পুরো শরীরের ওয়ার্মআপ করে নিতে হবে এটা নিশ্চিত করতেই হবে নতুবা পারদর্শী হতে পারবে না।
- খুব সকাল (ভোর) বেলায় দৌড়ানোর চেষ্টা করবেন।
- খালি পেটে দৌড়াবেন
- প্রতিদিনই দৌড়াবেন।
- একটানা দৌড়াবেন, গন্তব্যের আগে থামবেন না।
- দৌড়ের মধ্যে কষ্ট হয়ে গেলে ছোট ছোট দুরত্বের টার্গেট সেট করবেন আর তা অতিক্রম করার পর পুনরায় কাছের কোনো টার্গেট করবেন এভাবেই গন্তব্যে যাবেন।
- প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হবে, এই কষ্টের মধ্যেই প্রাকটিস চালিয়ে যেতে হবে।
- সকাল,বিকাল, রাতে প্রতিবার ৫০ টি করে প্রতিদিন ১৫০+ সিটআপ গেটআপ করবেন।
- দৌড়ানোর সময় অবশ্যই পিটি কেটস ও হাপ হাতা টিশার্ট পরে দৌড়াবেন।
- দৌড়ের সময় সর্বদা পা এর টু ফেলবেন, হিল কোনো ভাবেই আগে ফেলানো যাবে না, এই নিয়মে দৌড়ালে অনেক সময় দৌড়ানো যায়।
- দৌড়ানোর সময় বডিটাকে ছেড়ে দিবেন আর মাথা,বডি কে নিচের দিকে হেলে দিয়ে মাথা হালকা নিচু করে সোজা সামনের দিকে তাকিয়ে দৌড়াবেন।
- • প্রথমে আপনি একটি সঠিক সময় নির্বাচন করুন।
- • দৌড়ানোর পূর্বে স্ট্রেচিং করে নিতে পারেন। স্ট্রেচিং করলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জোড়া/সন্ধি ঢিলা হয়।
- • দৌড়ানোর পূর্বে হালকা টি-শার্ট ও প্যান্ট পরে নিন এতে ঘেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
- • প্রতিদিন সকালবেলা ৫-৬ পর্যন্ত দৌড়ানোর চেষ্টা করবেন।
- • প্রতিদিন সকালবেলা ১ কিমি দৌড়ানোর চেষ্টা করুন।
- • দৌড়ের পূর্বে লম্বা শ্বাস নিয়ে নিন এবং দৌড় শুরু করবেন, প্রথমে আস্তে আস্তে দৌড়াবেন ধীরে ধীরে দৌড়ের গতি বাড়িয়ে নিন।
- • দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়ার চেষ্টা করুন। প্রথমে অল্প অল্প লক্ষ্য ঠিক করুন এবং সেগুলো সম্পন্ন করুন।
- • দৌড়ের মধ্যে কখনো থেমে যাবেন না কষ্ট হলে আপনার সাফল্যের কথা এবং আপনার লক্ষ্যের বিষয়ে চিন্তা করুন।
- • কষ্টের মধ্যেও দৌড়ানোর চেষ্টা করুন
• দৌড়ের সময় আপনি সোজা সামনের দিকে তাকিয়ে দৌড়ানোর চেষ্টা করুন। শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ত্রণ করার চেষ্টা করুন এবং লম্বা শ্বাস নিন।
- • দৌড়ানোর জন্যে পায়ের বিশেষ শক্তির প্রয়োজন, তাই পুশ আপ এবং সিট আপ ব্যায়াম করতে পারেন এগুলো পায়ের শক্তি বৃদ্ধি করে।