4 Answers
ইসলামী শরীয়াহ মতে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করতে পারবেন না। কেননা, অবিভাবক ছাড়া বিয়ে হয় না। আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ওলী ছাড়া বিয়ে হয় না। (সূনান তিরমিজীঃ ১১০১- ইবনু মাজাহঃ ১৮৮১)
একজন ভাল আলেমের সাথে যোগাযোগ করেন। এবং আপনার সমস্যাটি খুলে বলুন তিনি যদি বলেন ঠিকআছে তাহলে আপনি মাসজিদে বিয়ে করতে পারবেন। ইসলামের নিয়মানুযায়ী।
আর পিতা মাতার অনুমতি বিহীন বিয়ে করা ঠিক নয়। পিতা মাতা কষ্ট পায় এমন কাজ করা সন্তানের জন্য হারাম। আপনি যদি তাদের অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করেন তাহলে তারা কষ্ট পাবে; সুতরাং তা হারাম হবে। এজন্য পিতা মাতার অনুমতি না নিয়ে বিবাহ করা আপনার জন্য উচিত নয়। যদিও বিবাহ করলে বিবাহ সংঘটিত হয়ে যাবে যদি কন্যার অভিভাবক রাজি থাকেন। তথাপি আমার পরামর্শ হলো, আপনি বিবাহটা পিতা-মাতা বা অভিভাবককে জানিয়ে করুন। তাতে আপনি পরবর্তী জীবনে তাদের দু‘আ পাবেন। আর সন্তানের জন্য পিতা-মাতার দু‘আ অপরিহার্য।
ছেলে-মেয়ে উভয়ে যদি প্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় বিয়ের কাজ করে তাহলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে তাদের বিয়ে হয়ে যায়৷ তাই দুজন পুরুষ সাক্ষী বা একজন পুরুষ দুজন মহিলার উপস্থিতিতে ইজাব-কবুল (প্রস্তাব-গ্রহন) করলেই বিয়ে হয়ে যাবে৷ তবে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরেও ছেলে বা মেয়ে গাইরে কুফুতে (সমতা বিধান, যেমন: সম্পদ, পেশা, বংশ ইত্যাদি রক্ষা না করে) বিয়ে করে তাহলে অভিভাবকের আপত্তির অধিকার থাকবে৷
দ্র: পিতা-মাতা বা পরিবারের সকলেই আপনার কল্যাণ চান, তাই তাদের না জানিয়ে বিয়ে করা একেবারেই অনুচিত হবে৷ তাছাড়া তাদের দোয়া থেকেও বঞ্চিত থাকতে হবে, যা আমাদের চলার পাথেয়৷
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy