2 Answers

আপনাকে লক্ষ্য করতে হবে আপনার বয়স ১৮+ হয়েছে কিনা । পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে । পুষ্টি কর ফল খেতে হবে । টাটকা শাকসবজি খেতে হবে । সময় মতো টিকা নিতে হবে । ভারি কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে । সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে । এছাড়া আপনি ডাক্তারের পরামর্শও নিতে পারেন । কেননা একজন ডাক্তার আমাদের থেকে বেশি জানেন এ সম্পর্কে । ধন্যবাদ

2985 views

ছেলেদের বীর্যতে থাকে শুক্রকীট ও নারীদের জরায়ুতে থাকে ডিম্ব। ডিম্ব শুক্রকীটের সঙ্গে মিলিত হবার জন্য নারীর জরায়ুতে অপেক্ষমান থাকে। ডিম্ব ও শুক্রকীটের মিলনের ফলে মানব ভ্রূণের সৃষ্টি হয় এবং আস্তে আস্তে তা মানবরূপে ধারণ করে। একজন নারীর ডিম্বাশয় মাসে একবার ডিম্বানু তৈরি করে। যখন এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় শুধুমাত্র তখনই বীর্যের সংস্পর্শে এলে ডিম্বানুটি নিষিক্ত হতে পারে। তবে শুক্রাণু নারীর গর্ভে গিয়ে প্রায় পাঁচদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।। তখন যদি নারীর ডিম্বানু প্রস্তুত হয় তখনই শুক্রাণু ডিম্বানুটির সাথে মিলিত হতে পারে। ডিম্বস্ফোটনের সাতদিনের মধ্যে স্বামীর সঙ্গে মিলন হলে স্ত্রীর গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সাধারণত শেষ মাসিকের ১২ দিন পর এই সময় আসে। একটি ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে নির্গত হওয়ার পরে ১২-২৪ ঘণ্টা জীবিত থাকে। গর্ভধারণের জন্য এ সময়ের মধ্যেই ডিম্বাণুটিকে শুক্রাণুর সাথে মিলিত হতে হবে।  মাসিকের প্রথম দিন থেকে একজন নারীর মাসিক চক্র গণনা করা হয়। এর কিছুদিন পর তার ডিম্বাস্ফোটন হয় এবং তার ১০-১৬ দিন পর তার আবার মাসিক হয়। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী মাসিকের গড় চক্রকাল হচ্ছে ২৮ দিন অন্তর অন্তর। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর কিছু বেশি অথবা কম সময়েও মাসিক হতে পারে, যা অস্বাভাবিক নয়। ডিম্বোস্ফোটন ঠিক কখন হয় তা সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়, তবে এটা বলা ভুল হবে যে সব মহিলারই মাসিক চক্রের ১৪ দিনের দিন ডিম্বোস্ফোটন হয়। যে মহিলাদের মাসিক নিয়মিত হয় এবং মাসিক চক্র ২৮ দিন তাদের বেলায় এটি সঠিক, তবে যে মহিলাদের মাসিক চক্র এর থেকে ছোট, বা লম্বা বা অনিয়মিত, তাদের বেলায় এটি প্রয়োজ্য নয়। আপনার মাসিক চক্র যদি ৩৫ দিনের হয়, তাহলে আপনি উর্বর থাকবেন আপনার মাসিক চক্রের ১৯ দিন থেকে ২৫ দিনের আশেপাশে, ১৪ দিনের দিন নয়। আবার আপনার মাসিক চক্রি যদি ছোট হয়, ধরুন ২৩ দিন, তাহলে আপনার হয়তো ডিম্বোস্ফোটন হবে আপনার মাসিক চক্রের ৭-১৩ দিনের মধ্যে এবং আপনি সেই সময়টুকু উর্বর থাকবেন। আগে যেমন বলা হয়েছে, একজন মহিলার শরীরে শুক্রানু ঢোকার পর তা ৪-৫ দিন বেঁচে থাকে। আপনি যদি গর্ভবতী হতে চান, তাহলে আপনাদেরকে এক-দুই দিন পর পর মিলিত হতে হবে। এর ফলে আপনার যখনই ডিম্বোস্ফোটন হয়ে ডিম্বাণু নিঃসরণ হোক না কেন, সব সময়ই শুক্রানু আপনার ডিম্বোনালীতে থাকবে এবং আপনার ডিম্বানুর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে। (সংগ্রহে গুগল)

2985 views

Related Questions