এত রাগ কেন?এত চেষ্টা করে ও রাগ কমাতে পারি না॥ সব থেকে মার সাথে রাগটা বেশি হয়॥কি করলে রাগ কমাতে পারবো॥একটু কম বেশি হলে খুব রাগ ওঠে॥রাগ অভিমান জেদ খুব বেশি ॥
2856 views

3 Answers

১) সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল উলটো গোনা (countdown)। ১০,৯,৮,৭,৬,৫,৪,৩….. গুনতে থাকুন। এতে রাগ অনেকটাই কমে যায়।

২) বড় করে নিশ্বাস নিন। অক্সিজেন ব্রেইনে প্রবেশ করলেই চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা বেড়ে যাবে।

৩) রাগ এর উৎস থেকে কিছুক্ষণের জন্য দূরে সরে আসুন।

আশা করি ফলাফল পাবেন ।

2856 views

দাড়ানো অবস্থায় রাগ হলে বসবেন।বসা অবস্থায় রাগ হলে শুয়ে পড়বেন। তবুও রাগ না কমলে অযু করবেন।আর এটি হলো হাদিসের আমল।

2856 views

মার পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। পিতা মাতা সন্তানের জন্য অভিশাপ দিলে তা আল্লাহর দরবারে তীরের থেকেও দ্রুতগতিতে কবুল হয়। এইসব ভেবে মার সাথে রাগ দেখানো বন্ধ করে দিন।  আর রাগ সম্পপর্কে রাসুলে পাক (সাাঃ) এর হাদিস- আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, একদিন রসূলাল্লাহ(সঃ) এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বললেন,“হে আল্লাহ্‌র রসূল, আপনি আমাকে কিছু অসিয়ত করুন।” উত্তরে নবী করিম(সঃ) বললেন, “তুমি রাগান্বিত হইয়ো না” সে ব্যাক্তি একথাটি কয়েকবার বলল। তিনি (প্রত্যেকবারই একই কথা) বললেন, “তুমি রাগান্বিত হইয়ো না” [সহীহ বুখারী ৫৬৮৬ ইফা] নবী করিম(সঃ) আরও বলেন, “সে প্রকৃত বীর নয়, যে কাউকে কুস্তীতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।” [সহীহ বুখারী ৫৬৮৪ ইফা] নবী করিম(সঃ) এই উপদেশটি দিয়েছিলেন কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন কেউ রাগান্বিত হয়ে পড়লে তা তার এবং তার আশেপাশের লোকজনের জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে কতটা ক্ষতিকর ও বিপদজনক। কিন্তু তিনি এটাও জানতেন যে রাগের মুহূর্তে এই উপদেশটা মেনে চলা এত সহজ নয়, তাই তিনি রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায়ও শিখিয়ে দিয়েছেন আমাদেরকে। তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, “হে আল্লাহ্‌র রসূল(সঃ), তাহলে (রাগের) চিকিৎসা কি?” উত্তরে নবী করিম(সঃ) বললেন, “কেউ যদি দাঁড়ানো অবস্থায় রাগান্বিত হয়ে পড়ে তার উচিত সাথে সাথে বসে পড়া, আর রাগ না কমা পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকা। অন্যথায় তার উচিত শুয়ে পড়া।” [আবু দাউদ ৪৭৬৪]

2856 views

Related Questions