আমি বর্তমানে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়াশুনা করি।আমার হাতে বড়জোর ১০মাস সময় আছে কিভাবে প্রস্তুতি নিলে সর্বোচ্চ রেজাল্ট করতে পারবো।আমি শূন্য থেকে শুরু করতেছি গতো এক বছর কিছুই পড়িনি।দয়া করে কেউ ভাল কিছু পরামর্শ দিবেন আশা করি।আমার সকল আশা স্বপ্ন ধ্বংসের পথে
2993 views

3 Answers

এখনো যথেষ্ট সময় আছে নিজেকে তৈরি করার।আপনি যেসকল বিষয়ে দূর্বল সেসব বিষয় ভালো করে পড়তে হবে।মোবাইলের নেশা থাকলে বাদ দিয়ে পড়ালেখায় মন দিন।প্রয়োজনে প্রাইভেট পড়তে পারেন ।আপনি রুটিন করে পড়তে পারেন ।একটা কথা আছে :একবার না পারিলে দেখ শতবার।তাই চেষ্টা করুন সফল হবেন।

2993 views

সময়ের সাথে সবচাইতে বেশি সঙ্গতিপুর্ন হল প্রতিদিনের রুটিন। এই রুটিনের মধ্যে খেয়াল রাখতে হবে সপ্তাহের সব দিনে টোটাল বিষয় সমুহ এসেছে কি না। যদি না আসে তবে সে অনুযায়ী সাজাতে হবে। প্রত্যেক সপ্তাহের কাজ সপ্তাহেই শেষ করতে হবে। পাঠ্যসুচীতে যা কিছু আছে তার সবটাই ঢেলে সাজানো হচ্ছে প্রথম কাজ। যে সকল ছাত্রছাত্রি একটি সুন্দর রুটিন মেনে চলে সে ভাল না হয়ে পারেনা। দিনের প্রত্যেক ক্ষুদ্রাংশকেও ভেঙ্গে সাজাতে হয়। যেমন – ধরুন ভোর ৫ টা থেকে ৬ টা ইংরেজি পড়া, ৬ টা থেকে ৭ টা সময় পর্যন্ত সায়েন্স গ্রুপ পড়া ইত্যাদি ইত্যাদি এভাবে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে হবে। প্রতি দশ মিনিটের জন্য একটি কাজ করা যেতে পারে আর তার রেজাল্ট মাসের শেষে মিলিয়ে দেখলে এমনিতেই ডেইলি রুটিনের গুরুত্ব বুঝা যাবে। একটি উদাহরনের কথা মনে পড়েছে। সেটা এই রকম- একটি ট্রেন চালানোর জন্যে প্ল্যাটফর্ম ত্যাগ করার আগে রেল মাষ্টার অর্ডার দিলেন যে আজ আরো পাঁচটি বগি এই ট্রেনের সাথে জুড়ে দেয়া হবে তার কারন যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি। যেমন হুকুম তেমন কাজ, কিন্তু এই কাজের জন্য সময় দরকার। পেছনের ট্রেন খানা কিছুক্ষনের মধ্যেই চলে আসবে, তবু মাষ্টার কাজটি করলেন। এর মাঝে পেছনের ট্রেন চলে আসায় তিনি লাইন ম্যান দিয়ে আটকে দিলেন এবং এই ট্রেন ছাড়ার পর পেছনের ট্রেন ফ্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করালেন। ডেইলি রুটিনের সাথে এই উদাহরনের একটা ছোট্র মিল আছে। প্রথমত – রুটিন করে ফেলার পর অবশ্যই অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিয়ে সেটা দক্ষ ষ্টেশন মাষ্টারের ন্যায় পরিচালনা করতে হবে। একটি ডেইলি রুটিন শুরু হতে পারে ঘুম থেকে উঠার পরপর-ই। এটা সকালে যে কোন মুহুর্ত হতে পারে। তবে সুর্য উঠার আগে হলে ভাল হয়। কারন এই সময়ে শরীরের ইন্দ্রীয়গুলো ভাল কাজ করে। ভাল ছাত্র হওয়ার উপায় হিসেবে এই রুটিন একটি ট্রেনের ইঞ্জিনের চেয়ে বেশি বড় ভুমিকা রাখতে পারে। সময়কে ভাগ করে নেয়ার পর তা দিয়ে দিনের একেক টী কাজ পরিপুর্নভাবে সম্পন্ন করতে পারাই রুটীনের কাজ। যদি ব্যর্থ হয় তবে রুটিন করার মূল্যটা থাকলই না । তাই একটি রুটিন কখনোই এলোমেলো হতে পারেনা সফলতার জন্যে। সময় পরিকল্পনাঃ একটি দৈনিক রুটীনের মাঝে এমন ভাবে সময় প্ল্যান করতে হবে যেন বোরিং না আসে। পড়ার সময় খুব বেশি যেন না হয়। দিনে ৬/৭ ঘন্টার বেশি পড়া উচিত না। বেশি পড়লেই ভাল হয় না। ভাল করে পড়লে কম পড়াই যথেষ্ট। তবে মেধানুসারে ৬/৭ঘন্টা থেকে আরো বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু মনে রাখা উচিত সেই বাড়তি সময় যেন মনের উপর প্রভাব না ফেলে। ডেইলি নোটঃ যদি নোট করার অভ্যেস না থাকে তবে আজি তা আয়ত্ব করুন। নোট এমন একটি ব্যাপার যা না করলে কখনোই তেমন কিছু মনে রাখা সম্ভব নয়। যে কোন কঠিন বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করলেও একটি নোটের মাধ্যমে তা সহজ করে ফেলা যায়। জটীল বিষয়ের জটিল পয়েন্টসগুলো লিখে রাখাই ভালো। বিশেষ করে ইতিহাসের সাল ও তারিখ। নিয়মিত ক্লাসঃ ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকাটা আবশ্যক। প্রতিদিনের মত যদি ক্লাসে উপস্থিত না থাকা যায় তবে সেই অনুপস্থিত ক্লাসের পড়াটাও সংগ্রহ করা উচিত। শিক্ষকের সাথে একই সময়ে যে পাঠ চর্চা করা হয় তা সাথে সাথেই বোধগম্য হয়ে যায়। নিয়মিত ক্লাস করার সুবিধা অনেক। পড়া পড়া এবং লেখাঃ কথায় বলে “লেখাপড়া ” পড়ার আগে যদি কোন বিষয়কে লেখা হয় তাহলে বেশ ভালো। তবে পড়ার কোন বিলল্প নেই। কেবল কোন কিছু না বুঝে শুধু পড়াই নয়, বুঝে শুনে পড়া। কোন কিছু মগজে না ঢুকতে চাইলে তা চটপট লিখে ফেলা উচিত। লিখতে গেলে বিষয়টা খুব ভাল ভাবে মনে থাকে এবং অনেক দিন সেই পড়াটি মনে থাকে। তাই প্রথম চেষ্টা হচ্ছে পড়া, তার পরের চেষ্টাও পড়া এবং সবশেষে লিখে চেষ্টা করা। এছাড়াও যদি বিষয়টি পড়া শেষ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে লিখে দেখা যেতে পারে যে ঐ বিষয়টি আসলেই আয়ত্ব হয়েছে কি না। হ্যাঁ আরেকটি কথা মুখস্থ করা বিষয় গুলি যদি সাত দিন অন্তর অন্তর একবার করে লেখা যায় তাহলে তো আর পড়া ভুলে যাবার কোন কথায় নেই। সংগৃহীত

2993 views

প্রথমত মোবাইলের নেষা দূর করুন।প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ঘন্টা পড়া লেখা করুন।পারলে ভালো একটি কোচিং সেন্টার/প্রাইভেটে পারেন।আপনি প্রতিদিনের একটি রুটিন তৈরি করুন।সেই অনুযায়ী কাজ করুন

2993 views

Related Questions