আমার সপ্তাহে ২-৩ বার পর্যন্ত সপ্নদোষ । এটা খেকে আমি রক্ষা পাবো কিভাবে । দয়া করে বিস্তারিত জানান । ধন্যবাদ।
3037 views

3 Answers

স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক প্রক্রিয়া মাত্র। নির্দিষ্ট বয়সে যে কোন ছেলের ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে। এতে ভীতির কোনো কারন নেই। স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি উপায়::: 

☞ ঘুমাতে যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়। তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরীরকে সাহায্য করে। 

☞ অশ্বগন্ধা (Withaniasomnif era) স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যায় উপকারসহ সর্বপোরী যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি, হরমোন ব্যালেন্স এবং হস্তমৈথুনের ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশীশক্তি ফিরে পাওয়া ও ভিতরগত ছোট-খাট ইনজুরি সারিয়ে তুলতে পারে। 

☞ ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। যদি সামান্য পরিমান প্রস্রাবের লক্ষনও থাকে, বিছানায় যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। 

☞ দিনের বেলায় অতিরিক্ত দুচিন্তা করবেন না। 

☞ অতিরিক্ত সেক্স এর বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না। 

☞ রাতের খাবার খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।পারলে ব্যায়াম করুন। 

☞ প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরী খাবার অভ্যাস করুন। 

☞ মনে মনে এমন কিছু ভাবুন যেটি আপনাকে মানসিক ভাবে শান্তি প্রদান করে। 

☞ যখন ঘুম আসবে শুধু মাত্র তখনি বিছানায় যাবেন। বিছানায় গিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন অযথা কল্পনা করবেন না। 

☞ নিজেকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। 

☞ রাতে ঢিলাঢালা জামাকাপড় পরে ঘুমান 

☞ পর্ণ দেখা বন্ধ করুন 

☞ মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে আবার প্রস্রাব করুন 

☞ রাতে ঘুমানোর আগে কিছু বরফ নিয়ে অণ্ডকোষের চারপাশে কিছুক্ষন মালিশ করে তারপর ঘুমান । 

☞ 
3037 views

 স্বপ্নদোষ

এড়ানোর কিছু টিপস নিম্নে দেয়া হলঃ

১. ঘুমাতে যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। যদিও

এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয় -

তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ

কমাতে শরীরকে সাহায্য করে।

২. ঘুমাতে যাবার আগে এককাপ ঋষি পাতা (Sage

Leaves - google এ সার্চকরে দেখতে পারেন।

হয়তো আপনার অঞ্চলে এটি ভিন্ন নামে পরিচিত)

'র চা পান করলে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন জনিত

স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

৩. অশ্বগন্ধা (Withaniasomnif era)

স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যায় উপকার সহ

সর্বপোরী যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি, হরমোন ব্যালেন্স

এবং হস্তমৈথুনের ফলে দুর্বল

হয়ে যাওয়া পেশীশক্তি ফিরে পাওয়া ও ভিতরগত

ছোট-খাট ইনজুরি সারিয়ে তুলতে পারে।

৪. ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন

না। যদি সামান্য পরিমান প্রস্রাবের লক্ষনও

থাকে বিছানায় যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন।

৫. রাতের খাবার খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন

না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।

৬. প্রতিদিন সামান্য করে হলেও

পুদিনা পাতা অথবা মিছরী খাবার অভ্যাস করুন।

৭. পবিত্র কোরআনের ৩০ নাম্বার পারার

"সুরা তারিক" পড়ে শয়ন করুন। হালকা জিকির

এবং অন্যান্য দোয়া পড়ে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর

রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

3037 views

স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক
এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক
প্রক্রিয়া মাত্র। যে কোন ছেলের
ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে। অধিক মসলাজনিত খাবার, যেসব খাবার বিলম্বে হজম হয়, সেগুলো যথাসম্ভব কম খাবে। যেমন-গোশত, কাবাব, ডিম, অধিক পরিমাণে চা পান, কফি পান, বেগুন, মশুরির ডাল ইত্যাদি।

* খাবার দাবারে বিশেষ করে রাতের খাবার কমিয়ে দিবে এবং শোয়ার কমপক্ষে দুই ঘণ্টা পূর্বে খাবে। শোয়ার সময় অধিক পরিমাণে পানি ও চা পান করবে না। শোয়ার পূর্বে পেশাব পায়খানার প্রয়োজন সেরে ঘুমাবে। মূত্রথলীতে পেশাব জমা হয়ে স্বপ্নদোষ হওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করে। নরম ও গরম বিছানায় শয়ন করা অনুচিত। বরং এমন ঘরে শোবে, যে ঘরে আলো বাতাস প্রবেশ করে।

* চিত হয়ে শয়ন করাও স্বপ্নদোষ হওয়ার সহায়ক।

* শেষ রাতে পেশাবের বেগ হলেই উঠে পেশাব করবে।

* গরমকালে রাতে অধিক গরম লাগলে এবং মেজাজও গরম থাকলে যদি গোসল করার দ্বারা কোনো সমস্যা না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে গোসল করে নেওয়া অনেক লাভ জনক।

* স্বপ্নদোষ প্রতিরোধক ওষুধ বেশি দিন সেবন করবে না। এতেও উল্টা এ্যাকশন হতে পারে। আজিবনের জন্য ধ্বজভঙ্গ রোগ হতে পারে।

3037 views

Related Questions