1 Answers

উপকরণ – এক কেজি মুরগীর মাংস (তাজা হলে বেশী স্বাদ হয়, ফ্রীজে অনেকদিন রাখা মাংসের স্বাদ কমে যায়) – হাফ কাপ পেঁয়াজ কুচি (সামান্য বাগারের জন্য লাগবে) – দেড় চামচ মরিচ গুড়া (ঝাল আপনি কেমন দিবেন তা আপনার ইচ্ছা) – এক চামচ হলুদ গুড়া – দুই চামচ রসূন বাটা – হাফ চামচ (কম হলেও চলবে) জিরা গুড়া – এক চামচ আদা বাটা – দুই টুকরা দারুচিনি, দুইটা এলাচি – কয়েকটা কাঁচা মরিচ – দুইটা তেজ পাতা ( না হলেও চলে) – লবন (পরিমান মত) – হাফ কাপ তেল (তেল ব্যবহার নিজের উপর নির্ভর করে) রন্দন প্রণালী কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ, রসূন, আদা, দারুচিনি, এলাচি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাল করে নাড়া ছাড়া করুন, ভেজে ফেলতে হবে। অনেকটা এই রকম দেখাবে এবার মরিচ গুড়া, হলুদ গুড়া, সামান্য জিরা গুড়া ও লবন (লবন আগে সব সময় কম দিতে হবে, রান্না শেষের আগে ঝোল মুখে দিয়ে লবন দেখে নিয়ে যদি লাগে তখন দিতে হবে) দিয়ে নাড়িয়ে কিছু হাফ কাপ পানি দিয়ে ভাল করে ঝোল বানিয়ে ফেলুন এবং গরম করতে থাকুন এবার ঝোলে মুরগীর মাংস দিয়ে দিন ভাল করে মিশিয়ে তেজপাতা দিয়ে (না থাকলে নাই) ঢাকনা দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন মিনিট বিশেক পর উলটে দেখুন এবং মাংস সিদ্ব হল কিনা দেখে নিন। লবন চেখে দেখে নিন। লাগলে দিন নতুবা নাই। (এখানেই একটা ব্যাপার আপনি যদি মনে করেন ঝোল রাখবেন না তবে আর পানি দেবেন না আর যদি মনে করেন ঝোল দিবেন তবে আরো পানি দিতে পারেন। ভুনা টাইপ করলে পানি কম দিবেন এবং পানি সব সময় মাংসের গায়ে গায়ে রাখার চেষ্টা করবেন।) অন্য একটা পাত্র সামান্য তেল নিয়ে গরম করুন এবং তাতে কিছু পেঁয়াজ কুচি দিন। পেঁয়াজ গুলো ভেঁজে পোড়া পোড়া করে ফেলুন (এটা অনেকটা বেরেস্তার মত) এবং রান্না হয়ে যাওয়া মাংসে ঢেলে দিন (বাগার দেয়া হল)। ব্যস হয়ে গেল, সাধারন মসলায় মুরগী রান্না। ঝটপট। বলে নেই আমি একটু ঝোল রাখি!

2938 views

Related Questions