2 Answers
সংসারের মূল ভিত্তি ধরে রাখেন একজন নারীই। তা সে নিজের সংসারে হোক, মায়ের সংসারে হোক কিংবা শ্বশুরবাড়ির সংসারেই হোক না কেন। কিন্তু নিজের আলাদা একটি সংসার এবং মায়ের সংসারে সমস্যা হয় না এই কারণে যে শ্বশুরবাড়িতে একই সংসারে দুজন নারীর আধিপত্যতা চলে আসে। তবুও ইদানীং বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ সংক্রান্ত সমস্যা আগের থেকে অনেক কম দেখা যায়। তবে একেবারে নেই বললে ভুল বলা হবে। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায় খুব সহজেই। শুধুমাত্র শাশুড়ির সাথে একটু বেশি সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। ব্যস, দেখবেন পুরো শ্বশুরবাড়ির সকলের সাথেই সম্পর্ক সুমধুর হবে। কিন্তু ভাবছেন শাশুড়ির সাথে কীভাবে সম্পর্ক ভালো রাখবেন? তাহলে জেনে নিন ১০ টি দারুণ কৌশল।
১) অতিরিক্ত আশা করতে যাবেন না
মনে করবেন না যে আপনার শাশুড়ি আপনার মায়ের মতো করেই আপনাকে আদর-যত্নে রাখবেন বা মেয়ে আপনাকে যেভাবে রেখেন বৌ আপনাকে সেভাবেই রাখবেন তা ভাবতে যাবেন না। যখন অনেক বেশি আশা থাকে তখনই সেখানে আশাভঙ্গের কষ্ট পাওয়া সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর সম্পর্কে ফাটল ধরে ঠিক তখনই। তাই বাস্তব আশা করুন, সম্পর্ক ভালো থাকবে।
২) ছাড় দিন
দুপক্ষই ছাড় দিন। ছোটোখাটো বিষয় একেবারেই ধরতে যাবেন না। যেখানে কথা বললে ঝগড়া বাধার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে চুপই থাকুন।
৩) কাজ ভাগ করে নিন
একজন আরেকজনের কাজে নাক না গলিয়ে কাজ ভাগ করে নিন। এতে শান্তি বজায় থাকবে সংসারে এবং সম্পর্কে।
৪) অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন
ছাড় দেয়ার অর্থ এই নয় যে যদি অত্যাচার করেন কেউ তাহলে তা মুখ বুঝে সহ্য করে যেতে হবে। নিজের অধিকারের জন্য একটু হলেও কথা বলতে হবে। তখন শাশুড়ি এবং বউ দুজনেই বুঝে যাবেন সম্পর্ক ঠিক রাখাই দুজনের জন্য ভালো।
৫) অতিরিক্ত করে ফেলবেন না
আপনি যদি প্রথমেই অতিরিক্ত করেন শাশুড়ি বা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের প্রতি তাহলে তাদের আশা আরও বেশি বেড়ে যাবে যা আপনি আর পূরণ করতে পারবেন না। তখনই কিন্তু সম্পর্ক খারাপ হবে। তাই আগে থেকেই অতিরিক্ত কিছু করতে যাবেন না।
৬) নিজেরাই নিজেদের বাউন্ডারি তৈরি করে দিন
কে কার ব্যাপারে কতোটুকু বলতে পারবেন তার একটি বাউন্ডারি তৈরি করে ফেলুন নিজেরাই এবং সেভাবেই চলুন। এতে করে মনে হবে না দুজন দুজনের কাজে ব্যাক গলাচ্ছেন। সম্পর্ক সুখের হবে।
৭) কখন কথা বলা উচিত এবং উচিত নয় তা বুঝুন
সম্পর্ক তখনই ভালো থাকে যখন নিজের সীমা কতোটুকু তা বুঝে মুখ বন্ধ করে ফেলা যায়। কারণ আপনার হুট করে বলে ফেলা একটি কথাতেই সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে।
৮) শাশুড়িকে স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে না আনাই ভালো
স্বামী-স্ত্রীর নিজস্ব কিছু ব্যাপার থাকে যেখানে শাশুড়ির না যাওয়াই ভালো এবং স্ত্রীর উচিত স্বামীর কাছে শাশুড়ির নামে কটু কথা না বলা। এতে সংসারে সুখ থাকবে দুদিক দিয়েই।
৯) শাশুড়ি-বউয়ের মাঝে অন্য কাউকে আনবেন না
ঝগড়া শুরু হওয়ার মূল কারণ অনেক ক্ষেত্রেই তৃতীয় ব্যক্তির উস্কানি হয়ে থাকে। তাই নিজেদের মধ্যে তৃতীয় কাউকে কথা বলতে দেবেন না। এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে।
১০) অতিরিক্ত অভিযোগ করবেন না
অতিরিক্ত অভিযোগ মনকে বিষিয়ে তোলে অল্পতেই। তাই অভিযোগ না করে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন দুপক্ষই।
সূত্রঃ idiva.com
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy