1 Answers
আমদানি রপ্তানি (ইমপোর্ট এক্সপোর্ট) ব্যবসাসাধারণত বিশ্বায়নের এই যুগে ব্যবসা -বাণিজ্য এখন আর ছোটখাটো অবস্থানে সীমাবদ্ধ নেই। অভ্যন্তরীণ বা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বেচাকেনা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে এখন। আর এই প্রতিযোগিতায় কোন অংশে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশীরাও।বাংলাদেশের সাধারণত ব্যক্তিপর্যায়ে থেকে শুরু করেন অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে,যারা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি রপ্তানি করে এক্সপোর্ট- ইম্পোর্ট এর ব্যাবসা করে থাকেন।
আন্তর্জাতিক বাজারগুলোতেও বাংলাদেশি কিছু পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আর বাংলাদেশে সাধারণত বৈদেশিক পণ্যের চাহিদা ও ঘাটতি থাকায় আমদানি -রপ্তানি খাতে অনেক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ব্যবসা হচ্ছে সবচেয়ে লাভজনক একটি ব্যবসা।
মুনাফার দিক থেকে হিসাব করলে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট ব্যবসা হচ্ছে কোন ব্যবসা হয় না। এই ব্যবসা করে অনেকে কোটি কোটি টাকা আয় করছেন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই। তরুণ থেকে শুরু করে সবাই এই ব্যবসা করতে পারে কেননা এই ব্যবসা স্বল্প পুঁজির মাধ্যমে শুরু করতে পারবেন এবং পরে যদি মনে করেন এই ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে একটা কথা না বললেই নয় আপনি এই ব্যবসায়ী যত বিনিয়োগ করবেন আপনার মুনাফার হার তত বাড়তে থাকবে। আজকে আমি এই আর্টিকেলে বলবো আপনাদেরকে বলবো ইমপোর্ট এক্সপোর্ট ব্যবসার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সম্পর্কে।
আমদানি রপ্তানি ব্যবসা কি?ইমপোর্ট এক্সপোর্ট হলো সাধারণত এক ধরনের আন্তর্জাতিক ব্যবসা। এক দেশ থেকে আরেক দেশে পণ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় এবং বাজারজাত করানো হলো সাধারণত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসা। আর বর্তমানের অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে যে কেউ ইচ্ছা করলেই এই ব্যবসা খুব সহজেই করতে পারবেন।
আমদানি রপ্তানি ব্যবসা করার নিয়মআমদানি ব্যবসার জন্য প্রথমে আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন পন্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন। এক্ষেত্রে যারা নিয়মিত আমদানি করে থাকে তাদের সাথে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। প্রথমে আপনাকে যে বিষয়টা নিয়ে ধারণা নিতে হবে সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের মার্কেট সম্পর্কে। কত টাকা দরে পণ্য পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয়। এরপর আপনাকে রপ্তানিকারকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং তাদের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
বিশ্বের আলিবাবা এবং আমাজন হল সবথেকে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে সাধারণত বিভিন্ন সেলার তাদের পণ্যের এড দিয়ে থাকে। তার থেকে পণ্যের দাম জেনে নিয়ে আপনি দরকষাকষি করতে পারেন। এবার যদি কাউকে দিয়ে পণ্য রপ্তানি করাতে চান তাহলে তাদের সাথে কথা বলে দেখতে পারেন। আর আপনি যদি নিজে নিজেই এলসি করতে চান তাহলে আপনাকে একটি আমদানি লাইসেন্স করতে হবে।
কিভাবে আমদানি রপ্তানি ব্যবসা শুরু করবেন?সঠিক গাইডলাইন এবং পন্য নির্বাচনের মাধ্যমে আপনি নিজে নিজেই এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। নতুন উদ্যোক্তা, সিজনাল ব্যবসায়ী, ছাত্র-ছাত্রী, উচ্চ বেতনের চাকরি প্রার্থীসহ সব ধরনের মানুষ আর বিশেষ করে যারা কম পুঁজিতে ব্যবসা করার পরিকল্পনা করছেন তারাও সাধারণত ইমপোর্ট -এক্সপোর্টের এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।
ইমপোর্ট এক্সপোর্ট ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো
ইমপোর্ট এক্সপোর্ট ব্যবসা শুরুর জন্য আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে। চলুন সেই বিষয় গুলো নিয়ে জানা যাক।
সঠিক ধারণা থাকতে হবেঃ
মনে জেগেছে ব্যবসা করার ইচ্ছা কিন্তু পুঁজি নেই বেশি তাদের জন্য ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ব্যবসা এটি একটি আদর্শ হতে পারে কেননা এই ব্যবসাটি স্বল্প পুঁজিতে করা সম্ভব। যেখানে সাধারণত আপনি নিজেই নিজের বস, সিদ্ধান্ত নিজের কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যবসার পরিসীমা অসীম।আর আপনি যদি এ ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা বা সঠিক পরিকল্পনা করতে পারেন তাহলে আপনাকে ঠেকায় কে।
সাধারণত স্বল্প পুঁজি থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের বিনিয়োগ সক্ষম ব্যক্তি নির্ভয়ে এক্সপোর্ট- ইম্পোর্ট এর ব্যাবসা করতে পারেন। আরে ব্যবসার সবচেয়ে বড় যে সুবিধাটি হলো সেটি হচ্ছে এখানে আপনি স্বল্প পুঁজির মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বড় একজন ব্যবসায়ী হতে পারবেন।আর এর জন্য কার্যকারী পরিকল্পনার সাথে সঠিক গাইডলাইন ও সঠিক পণ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে এই ব্যবসাটি শুরু করা যেতে পারে। আর আমাদের দেশে চীন ও ভারতের সাথে আমদানি ব্যবসার ব্যাপক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এখন নতুন উদ্যোক্তাদের সংখ্যা খুবই কম বললেই চলে। যার সাধারণত অন্যতম কারণ হতে পারে এ ব্যবসার খুঁটিনাটি তথ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকা।
কোন ধরনের পণ্য আমদানি রপ্তানি করবেন?ইমপোর্ট -এক্সপোর্টের ব্যবসার ক্ষেত্রে পণ্য র্নির্বাচন করাটা খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।আপনি কোন ধরনের পণ্য কোন দেশে