আমার পরিবারে কেমন যেন সব সময় অশান্তি লেগেই থাকে। আমরা চার বোন এক ভাই। আমি সবার ছোট। আমি সরকারী একটা চাকুরী করি।আমার চার নম্বর বোন অবিবাহিত। আমি মাসে ১৪ হাজার টাকা বেতন পাই আমার বাবা বিশ্বাস করে না সে বলে আমি ৩০ হাজার টাকা বেতন পাই। আমি প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা বাড়িতে পাঠায় বাড়িতে মাত্র ৩ জন থাকে। অথচ আমার বাবা এলাকায় সকলের কাছে বলে আমি নাকি ঠিক মত টাকা পাঠাই না। এতে এলাকার সবাই আমাকে নেগেটিভ ভাবছে। আমি ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি আমার বাবা আমার মা বোন এবং আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করে আসছে। আমাদের ঠিক মত লেখাপড়ার টাকা দিত না আমার বড় বোনের বিবাহ হওয়ার পর থেকে দুলাভাই অনেক হেল্প করছে। শুধুমাত্র আমার বাবার কারণে আজ পরিবারে এত অশান্তি। আমি এখন কোন দিকে যাব কিছুই ঠিক পাচ্ছি না। আমার বাবা কোন দিনই ঠিক হবে না।ছোট বোনটাকে বিয়ে দিতে হবে আমার বাবার কোন টেনশন নেই সে আমার বোন মা এর নিন্দা,এলাকার সকলের কাছে করে।এতে ছোট বোনের ভালো ঘরে বিয়ে হবে না।আমি যে চাকুরিতে ১ বছর আইছি সে কোনদিনই ফোন দেয় না। এমত অবস্হায় ইসলামের বিধান কি? আমি কি আমার বাবাকে ১০ হাজার করে টাকা দিব? আবার আমি যদি টাকা না জমিয়ে রাখি তাইলে তো আমার ভবিষ্যত অন্ধকার।সামনে ছোট বোনটার বিয়ে দিতে হবে। বাবা বলে ওর বিয়ে হক বা না হোক আমার যাই আসে না তাইলে সে কেমন বাবা??? তার বয়স ৮০ এর মত এখনও মাথায় শয়তানি বুদ্ধি। মানুষ খারাপ হলে যে এত খারাপ হয় নিজের ছেলে মেয়েদের ভাল চাই না। নামায পড়ে পাচ ওয়াক্ত কিন্তু কথায় কথায় মিথ্যা বলে। আমার ফুপা এলাকার সবাই বুঝায় সে কানে নেয় না। সে নিজেকে যে কি মনে করে? অথচ তার কোন ক্ষমতা নাই যে দশ হাজার টাকা বের করবে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী করণীয় কি???

2571 views

1 Answers

আপনার করণীয়: ১.আপনার কষ্টে উপার্জিত টাকা যাতে কোনো খারাপ পথে নষ্ট না হয়।সেজন্য আপনার বাবা যদি টাকাগুলো অযথা ব্যয় করে তাহলে আপনার উচিত তাকে বেশি টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয়া।তিনি যতই আপনার জন্মদাতা হোক না কেন অন্যায় তো অন্যায়ই হয়,আর এই অন্যায়গুলো এখন মেনে নিতে থাকলে আপনার পরিবার ধীরে ধীরে নষ্টের ও দারিদ্রের দিকে ধাপিত হতে থাকবে।তবে একজন বাবা হিসেবে তিনি যতই খারাপ হোক তার দেখাশুনা করা আপনার কর্তব্য।সেজন্য শুধু তাকে তার হাত খরচের টাকাটুকু তাকে দিতে পারেন।আর সংসারে যতটুকু অর্থ প্রয়োজন তা আপনার মায়ের কাছে পাঠান।আর আপনার পরিবারের ভালো ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানো শুরু করে দিন। ২.সাধারণত ছোটবেলা থেকে শিশুকে বড় করে তোলার সময় আদর যত্ন করে একজন বন্ধুর মত করে বড় করা উচিত আর কোনো বড় ভুল করলে প্রথমে বোঝানো উচিত।তাতে না বুঝলে অবশ্যই শাসন করা উচিত।নাহলে শিশুটি ভবিষ্যতে খারাপ পথে অগ্রসর হতে পারে।যেহেতু আপনার বাবাকে বোঝানো হয়েছে এবং তিনি না বুঝে খারাপ পথেই হাটছেন তাই আপনার বাবাকে এখন অবশ্যই শাসনের মধ্যে রাখা উচিত।নাহলে তিনি একসময় আপনার পরিবারকে খারাপ পথে নিয়ে যেতে পারেন। ৩.এইসময় কোনো খারাপসঙ্গে না পড়ে আপনার পরিবারকে বেশিগুরুত্বদিন

2571 views

Related Questions